এইচ এম রাশেদ : বিভিন্ন ক্রাইটেরিয়া করে পরিকল্পিত ভাবে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে ছাত্রদলকে। অযোগ্য নেতৃত্বে ব্যর্থতার দ্বারপ্রান্তে চলে গেছে সংগঠনটি।যৌলুষ , ইতিহাস, ঐতিহ্য হারানোর পথে প্রাণের সংগঠন ছাত্রদল। কিন্তু কেন এটা দায়ভার কার!?
তৃণমূলের নানান অভিযোগে জর্জরিত যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য পদ বিক্রি করে টাকা লেনদেন, ত্যাগীদের বাদ দিয়ে পকেটের লোক দিয়ে কমিটি গঠন, জোর করে অন্য দলের লোকদের পদায়ন করা ইত্যাদি ।
সম্প্রতি বিএনপির সাথে অসমন্বয় ! অভিযোগ উঠেছে ঢাকার মহাসমাবেশে দাওয়াত পায়নি ছাত্রদল অথচ ইতিহাস কি বলে , বিএনপি মানেই ছাত্রদলের শক্তি, বিএনপির ভ্যানগার্ড হচ্ছে ছাত্রদল।
প্রেসক্লাবের ঘোষিত দক্ষিন বিএনপির প্রোগ্রামে উপস্থিত হয়নি ছাত্রদলের সভাপতি এবং সাধারন সম্পাদক, আশাপাশে গিয়ে ৫/৬ জন নিয়ে ছবি তুলে জানিয়েছে পুলিশি ব্যারিকেটের কারনে ঢুকতে পারেনি। এমন তো হওয়ার কথা ছিল না !
অগোছালো ঢাকার সমস্ত ইউনিট , একেকটা কমিটির মেয়াদ ৬ বছরে পড়েছে , সবার মাঝে শুধু হাহাকার না পারছে সইতে না পারছে কইতে ! অনেক ইউনিট পদ প্রত্যাশিদের সাথে কথা হয় তারা অনেকে সুইসাইড করার কথা বলে।
এমন সংগঠন তো আমরা চাইনি…..?
১৮ মাসে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় , মহানগর দক্ষিন/উত্তর/পূর্ব/পশ্চিম,ঢাকা কলেজ,বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, তিতুমীর কলেজ,বাংলা কলেজ, তেজগাঁও কলেজ, সরকারী কবি নজরুল কলেজ , সহ ঢাকা এবং ঢাকার বাইরে কোন কমিটি তারা করতে ব্যর্থ হয়েছে এবং হচ্ছে।
কাউন্সিলে লিখিত ছিল ১০% ভোট না পেলে তাদের সদস্য পদ ও দেওয়া হবে না ।
আমরা অনেকে দলের প্রতি সম্মান রেখে ভোট করিনি, ভোট শেষ হলো আংশিক পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে ১০% ভোট না পাওয়া সবাইকে গুরুত্বপূর্ণ পদ দেওয়া হলো, ক্রাইটেরিয়ায় বাদ দেওয়া হলো আমাদের।
বিভিন্ন জেলা নগরে পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে ক্রাইটেরিয়ায় বাদ পড়া লোকদের রাখা হলো সম্মান দিয়ে বিদায় জানানোর জন্য। শুধু ক্রাইটেরিয়া থেকে আল মেহেদী তালুকদার, আসাদ টিটু, আরাফাত বিল্লাহ, নিজাম উদ্দিন, আমি সহ আমাদের মতো কিছু দল পাগল ত্যাগীদের জন্য।
ছাত্রদল প্রায় অচল হয়ে পড়েছে…
আমি সভাপতি/সাধারন সম্পাদক কে Challenge করছি দায়িত্ব পেলে ছাত্রদলের এই অচলাবস্থা ১ মাসের মধ্যে দূর করে গতিশীল করে তুলবো ছাত্রদলকে।
কোন ধরনের আদর্শ বিসর্জন দেওয়া যাবে না…..
টাকা দিয়ে পদ সংগঠন বিক্রি করা যাবে না….
মাঠের ত্যাগী জেল জুলুম মামলা-হামলা নির্যাতনের স্বীকার কর্মীদের দিয়ে দ্রুত কমিটি গঠন করতে হবে।
ঐক্যবদ্ধ এবং শক্তিশালী ছাত্রদলই পারে স্বৈরাচারীর পতন ঘটাতে।
কাউকে কষ্ট দেওয়ার জন্য লেখিনি । এই সংগঠন আমার আপনার রক্তে ঘামে ভেজা তাই সংগঠনকে বাঁচান।
এইচ এম রাশেদ
সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট
“ঢাকা কলেজ ছাত্রদল”
নতুন সময়/টিআই