রাজনৈতিক ছাত্র সংগঠন হতে বিবাহ ক্রাইটেরিয়া বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন
নিজস্ব প্রতিবেদক
ধর্ষণ প্রতিরোধে প্রত্যেক রাজনৈতিক ছাত্র সংগঠন হতে বিবাহ ক্রাইটেরিয়া বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশের প্রচলিত আইনে বিবাহের ক্ষেত্রে ছেলেদের ২১ বছর এবং মেয়েদের ১৮ বছর, তাহলে ছাত্র রাজনীতিতে বিবাহের বৈধতা থাকবে না কেন?।
শেখ মুজিবুর রহমান ছাত্র অবস্থায় মাত্র ১৮ বছর বয়সে বিবাহ করার পরও ছাত্র রাজনীতির নেতৃত্ব দিতে পারলে তবে এখন কেন ছাত্র সংগঠনের নেতারা বিবাহ করতে পারবে না,আমরা মনে করি এটা ধর্ষণের জন্য অন্যতম প্রধান কারণ।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, তাই বিবাহ ব্যবস্থা উন্মুক্ত করে, বাংলাদেশের ধর্ষণ প্রতিরোধ করতে ছাত্র রাজনীতি হতে বিবাহ ক্রাইটেরিয়া বাতিল করার দাবি জানাচ্ছি।
আজ জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আল-বুশরা সামাজিক যুব সংগঠনের উদ্যোগে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের পরিচালক মাজেদুল ইসলাম মাজেদ। এছাড়া সংগঠনের সদস্য, আবদুল আজিজ,সাদ্দাম হোসেন আঃ রহমান রানা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা আরো বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সম্ভবত ২৪ বছর বয়সে বিবাহ করেছেন। বিবাহের ক্ষেত্রে এই অযৌক্তিক ক্রাইটেরিয়ার ফলে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতারা ধর্ষণের মত এমন জঘন্য কাজে তারা লিপ্ত হতে বাধ্য হচ্ছে, এর দায়ভার কে নেবে?
প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা তিনি সম্ভবত ২২-২৩ বছর বয়সে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। এর পরে তিনি ছাত্র রাজনীতি থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত এসেছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া তিনি সম্ভবত ১৫ বছর বয়সে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন।
তারা বলেন, প্রধান মন্ত্রীর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় তিনি সম্ভবত ৩১ বছর বয়সে বিবাহ করেছেন। তারেক রহমান বিবাহ করেছেন সম্ভত মাত্র ২১-২২ বছর বয়সে।
বক্তারা আরো বলেন, তাই দেশ ও জাতির স্বার্থে আমাদের যৌক্তিক দাবি অনতিবিলম্বে রাজনৈতিক ছাত্র সংগঠন হতে বিবাহ ক্রাইটেরিয়া বাতিল করার দাবি জানাচ্ছি।
নতুন সময়/টিআই