কার্যকারিতা পরীক্ষার জন্য বিএসএমএমইউতে ২‘শটা কিটের নুমনা জমা দিয়েছে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র
ঢাকা: কার্যকারিতা পরীক্ষার জন্য করোনাভাইরাস শনাক্তকরণে উদ্ভাবিত কিট ‘র্যাপিড ডট ব্লট’ ২‘শ নমুনা বিএসএমএমইউ‘র কাছ থেকে জমা দিয়েছে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র।
বুধবার দুপুরে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী একথা জানান।
ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘‘ বিএসএমএমইউ আমাদের উদ্ভাবিত কিটের নুমনা ২‘শটা জমা দিয়েছে। এসবের খরচ বাবদ ৪ লাখ ৩৫ হাজার টাকা ফি ছিলো সেটাও আমরা জমা দিয়ে দিয়েছি।” ‘‘ আমরা আশা করছি, কিটের কার্যাকারিতা পরীক্ষা সম্পন্ন করে আগামী সাত দিনে মধ্যে তাদের রিপোর্ট ঔষধ প্রশাসনের কাছে দেবেন।”
কার্যকারিতা পরীক্ষার প্রক্রিয়া জানতে চাইলে ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, ‘‘ প্রসেসটা হচ্ছে- এখন উনারা(বিএসএমএমইউ) কম্পারিজটা করবেন। তাদের কাছে যেসব রোগী আসে তার যে পিসিআর করে তারা টেস্ট করেন, সেভাবে এই ২‘শটা কিটও রোগীর রক্ত নিয়ে পরীক্ষা করে দেখবেন, কম্পারিজমটা করবেন। এরপর তারা একটা প্রতিবেদন দেবেন।”
গত ৩০ এপ্রিল ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর গণস্বাস্থ্যকে তাদের উদ্ভাবিত কিটের নমুনার কার্যকারিতা পরীক্ষার জন্য বিএসএমএমইউ অথবা আইসিডিডিআর‘বিতে জমা দেয়ার জন্য অনুমতি পত্র প্রদান করে।
বৈশ্বিক মহামারীতে রুপ নেওয়া নভেল করোনাভাইরাস শনাক্তকরণে বাংলাদেশ এখন আমদানি করা কিটের উপর নির্ভর করছে। এর মধ্যেই দেশীয় প্রতিষ্ঠান গণস্বাস্থ্য ফার্মাসিউটিক্যালসের প্রধান বিজ্ঞানী ও গণবিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক বিজন কুমার শীল কোবিড-১৯ রোগ শনাক্তে কিট উদ্ভাবনের কথা জানান গত মার্চ মাসের প্রথমার্ধেই।
গত ১৯ মার্চ গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর থেকে করোনাভাইরাসের কিট উৎপাদনের অনুমতি পায়। গত সাপ্তাহে চীন থেকে কাঁচামাল(রি-এজেন্ট) আসার পরপরই কিটের স্যাম্পাল তৈরি করার কাজ শুরু করে তারা।
বিজ্ঞানী বিজন কুমার শীলের নেতৃত্বে এই কাজে যুক্ত রয়েছেন ড. ফিরোজ আহমেদ, ড. নিহাদ আদনান, ড. মোহাম্মদ রাইদ জমিরুদ্দিন, ও ড. মুহিব উল্লাহ খোন্দকার।
‘র্যাপিড ডট ব্লট’ নামের এই পদ্ধতিতে করোনাভাইরাস পরীক্ষার জন্য খরচ হবে তিন‘শ থেকে সাড়ে তিন‘শ টাকা হবে বলে জানিয়েছে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র।