সেই মাইকেলের শুধু আফতাব নগরেই আছে ২৯ ফ্ল্যাট!
সাব রেজিস্ট্রার বদলি করে শত কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগে যখন মাইকেল চক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে তোরজোর চলছে দুদকে,তখন সেই চক্রের মূলহোতা অভিযুক্ত খিলগাওয়ের সাব রেজিস্ট্রার…
ঢাকা : দুর্নীতি চাঁদাবাজি প্রতারণা এবং র্অথ আত্মসাতরে অভিযোগে আনন্দ টেলিভিশন থেকে আজীবনরে জন্য বরখাস্তের পর এশিয়ার টেলিভিশনের সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদাবাজি করে বেডাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে কথিত সাংবাদিক শেখ সোহাগ ওরফে ল্যাংড়া সোহাগের বিরুদ্ধে। আজ থেকে কয়েক বছর আছে তিনি মহাখালী কড়াইল বস্তিতে থাকতেন সেখান থেকে নারী, কেলেঙ্কারী, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, প্রতারণার কারণে মহল্লার মানুষ তাকে এই এলাকা ছাড়া করেন। এরপর থেকে সে আর ঔই এলাকায় প্রবেশ করতে পারেন নি।অনেকের কাছ থেকে ধার দেনা করে বিদায় নিয়েছেন কড়াইল থেকে কথিত সাংবাদিক শেখ সোহাগ ওরফে ল্যাংড়া সোহাগ।
জানা যায়, ভূয়া এই নামধারী সাংবাদিক সোহাগ নামের আগে শেখ লাগিয়েছেন নিজেকে সে গোপালগঞ্জের বলে দাবি করেন। এই পরিচয়ে তিতুমীর কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ডলার ও সহ সভাপতি উজ্জল, কড়াইল বস্তির (যার বাসায় থাকতেন) মো: গনির বিরুদ্ধে আজে বাজে সংবাদ প্রকাশ করায় এই এলাকায় প্রবেশ তার জন্য নির্ষেধ। শেখ নামে বনানী থানার সাবেক ওসি মাহবুব রহমানের কাছে চাঁদা চাইতে গেলে সে তাকে ধরে মারধর করে ও মামলা দেয়। ঔই মামালার আয়ু ছিলেন এএসআই শিপন। অনেক পুলিশ ও সাধারণ মানুষের কাছে থেকে তিনি চাদাঁ নিয়েছেন।
তথ্য মতে, কথিত অফিস থেকে কখন ও বেতন না পাওয়ায় ল্যাংড়া সোহাগ চাঁদাবাজিতে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। ঢাকার বেশ কিছু সাংবাদিকদের তথ্য মতে, সে আসলেই মূল ধারার কোন সাংবাদিক না। সাংবাদিকতা কি সে বোঝে না? সামান্য অল্প বিদ্যায় শিক্ষিত সে।
জানা যায়, ল্যাংড়া সোহাগ নতুন করে আবার এশিয়ান টিভির সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে মানুষকে জিম্মি করে ব্যাপক চাঁদাবাজিও প্রতারণা করে থাকেন।
সোহাগের বিরুদ্ধে অভিযোগের ভিত্তিতে যানা যায়, বাড্ডা থানা সংলগ্ন আজাদের খাবারের হোটেল থেকে প্রতি মাসে ১৫ হাজার টাকা চাঁদা আদায় করে থাকতো।বতর্মান করোনার জন্য হোটেলের বেচা-কেনা কমে যাওয়া হোটেল মালিক চাঁদার টাকা দিতে আপত্তি প্রকাশ করলে সোহাগ উত্তেজিত হয়ে হোটেল বন্ধের হুমকি দেয়। এক র্পযায়ে তাদের উত্তেজনা শুনে পাশের দোকানদারসহ স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসে এবং চাঁদাবাজির দায়ে তাকে প্রচন্ড মারধোর করে বাড্ডা থানা পুলশিরে কাছে সোর্পদ করে। এরপর ও তার শিক্ষা হয়নি এমন ভয়াবহ সাংবাদিক সে।
ঔই সময় বাড্ডা থানার ভারপ্রাপ্ত র্কমর্কতা ন্যাংড়া সোহাগকে বলেন, তুই দোকানদারদের কাছ থেকে কিসের (চাঁদার) টাকা নিয়ে থাকিস এর কোন সদুত্তর সে দিতে পারে নি। পরে ভারপ্রাপ্ত র্কমর্কতা বলনে, তুই যদি আবার আমার থানা এলাকা চাঁদাবাজি করতে আসিস তাহলে তোকে চাঁদাবাজি মামলা দিয়ে চালান করে দিবো।
এর আগেও তোর বিরুদ্ধে অনেক চাঁদাবাজি ও মেয়ে ব্যবসার অভিয়োগে কয়েকটি মামলা রয়েছে, সে গুলো ও চালু হয়ে যাবে। পরে সে বাড্ডা এলাকায় আর চাঁদাবাজি করবে না বলে মুচলেখা দেয়। এর র্পূবে ও বাড্ডা এলাকা চাঁদাবাজির অভিযোগে তার ব্যবহৃত চুরির মোটরসাইকেলটি জব্দ করে বাড্ডা থানা পুলশি। এখন ও তার মোটরসাইকলেটি পড়ে আছে বাড্ডা থানায়।
জানা যায়, এশিয়ান টিভির পরিচয় ব্যবহার করে রাজধানীর বাড্ডা, গুলশান, বনানী, সহ বিভিন্ন এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে ল্যাংড়া সোহাগ। এসব এলাকার দোকান পাট, পালার, আবাসিক হোটেলসহ সরকারি, বেসরকারি, প্রতিষ্ঠান থেকে প্রতি মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা চাঁদা তুলে সোহাগ।
এই সমস্ত কাজের অন্তরালে যৌনর্কমীদের দালালী,ও মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বলে জানা গেছে। এমনকি অবৈধ্য বাড়ি দখল, জমি দখল, সহ নীরিহ ব্যক্তিদের মাদক ও নারী দিয়ে ফাঁদে ফেলে আদায় করে বিপুল র্অথ।
এছাড়াও বাড্ডা এলাকায় তার সহযোগী র্দুধষ সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ ক্যাডার ও রয়েছে। রাজধানীর বাড্ডা এলাকায় এক সময় ল্যাংড়া সোহাগ টোকাই হিসেবে পরিচিত ছিলো।রাস্তায় জুতার মোজা বিক্রি করতো সে এবং বছর না পারহতেই ৫০০ টাকার কার্ডে হয়ে যায় সাংবাদিক। গড়ে তোলে সাম্রাজ্য। এছাড়াও বিভিন্ন হোটেলে পতিতার ব্যবসা রয়েছে তার। গোপালগঞ্জ বাড়ি হওয়াতে নিজেকে শেখ বংশের পরিচয় দেন।
জানা যায়, এছাড়াও পুলিশ, শিক্ষক সরকারী র্কমর্কতা বদলী স্কুল এমপিও কার, এনআইডি র্কাড জালয়িাতি সংশাধন সহ সরকারী চাকুরীর প্রলোভন দেখিয়ে বহু লোকের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া যায়। উঠতি বয়সী মেযে়দেরকে সংবাদিক বানিয়ে দিবে বলে যৌন হয়রানি অভিযোগ রয়েছে যানা গেছে।
এছাড়া প্রতারণার মামলায় তার বিরুদ্ধে ভাটারা ও বাড্ডা থানা সাধারণ ডায়রী করেছে ভূক্তভোগীরা।
এলাকাবাসীর মতে, একজন চাপাবাজ বাটপার প্রতারক সন্ত্রাসী কি করে সাংবাদিক হয়ে যায়, দেশের কি অবস্থা? তাহলে কি যে কউে টাকা দিলেই সাংবাদিকতার র্কাড ক্যামেরা পাওয়া যায়!? দেশে শিক্ষিত লোকের কোন মূল্য নাই? এদিকে এশিয়ান টিভির মতো একটি প্রতিষ্ঠিত মিডিয়ায় কি করে এরকম একজন র্মূখ প্রতারককে কাজ করতে দেয়? এতে এই টিভির মান সম্মান থাকবে?
এলাকাবাসী ও ভূক্তভোগীদের দাবি, প্রশাসন যদি অবিলম্বে এই সব ভূয়া সাংবাদিক চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন না করে তাহলে তারা এশিয়ান টিভি অথবা জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আন্দোলন করবেন তারা।
এই বিষয় জানতে চাইলে তিনি কোন সন্তব্য করতে রাজি হয়নি।
নতুন সময়/টিআই
স্বত্ব © নতুন সময় - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au