সেই মাইকেলের শুধু আফতাব নগরেই আছে ২৯ ফ্ল্যাট!
সাব রেজিস্ট্রার বদলি করে শত কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগে যখন মাইকেল চক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে তোরজোর চলছে দুদকে,তখন সেই চক্রের মূলহোতা অভিযুক্ত খিলগাওয়ের সাব রেজিস্ট্রার…
ঢাকা: পাবনা জেলার পুলিশ সুপার শেখ রফিকুল ইসলাম শিমুলের ভাগনী তানজিল হক উর্মির বিরুদ্ধে প্রতারনা অভিযোগ করেছে তার স্বামী শেখ হাবিবুর রহমান।
শনিবার ঢাকা রিপোর্টার ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলননে তিনি এ অভিযোগ করেন।
লিখিত বক্তব্য বলা হয়, ২০১০ সানে অক্টোবর হতে ডিসেম্বর মাসের মধ্যে স্বামীর বাসা থেকে ২৭ লাখ উর্মি তার মামা শিমুলের ডাচ্-বাংলা ব্যাংক একাউন্টে জমা রাখেন। ২০১১ সালে ধানমন্ডিতে ফ্ল্যাট ক্রয় করার নামে করে অর্ধ কোটি টাকা আতœসাত করেছে। এর সঙ্গে পাবনা জেলার পুলিশ সুপার সরাসরি জড়িত। তার প্রশ্রায় ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত শেখ হাবিবুর রহমান।
২০০৪ সালে সৌদি আরবে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। ২০০৭ সালে দেশে ফিরে হাবিবুর রহমান পাবনা জেলার পুলিশ সুপারের ভাগনী তানজিল হক উর্মিকে বিয়ে করেন। এ সময় ১৭০ ভড়ি স্বর্ণের গহনা নেওয়া হয়। বিয়ের একমাস পরই হাবিব বিদেশে চলে গেলে। স্ত্রী উর্মির সঙ্গে হাবিবুরের পরিবারের সদস্যদের দ্বন্দ্ব লাগে। ২০০৮ সালে সৌদি আরব স্বামীর কাছে পারি জমায় উর্মি। সেখানে দিয়ে বেপরোয়া ও উৎশৃঙ্খলা আচার আচরণের করেন। কিছু দিন পর স্বামী হাবিবুর রহমান উর্মিকে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেন। বক্তব্য বলা হয়, আত্মসাতকৃত টাকা ফিরত দেওয়া নাম করে শাহাজালাল আন্তজাতিক বিমানবন্দরে পাসপোর্ট আটকে দেন। ব্যাপক টাকার বিনিময়ে পাসপোর্ট ফেরত দেওয়া হয়।
২০১২ সালে হাবিবুর রহমানকে নানা ভাবে ভয় ভীতি ও হুমকি ধামকি দেওয়া হয়। তিন সন্তানের জননী হন উর্মি। এর পরেও নানা ভাবে নিয়ৃাতন করে স্বামী হাবিবুর রহমানকে। এদিয়ে সামাজিক ভাবে গ্রাম্য আদালতে বিচার করা হয়। এর মধ্যে পরকিয়ায় জড়িয়ে পরেন। যা বাসার সিসি ক্যামারা ফুটেজে ধরা পড়েন। এর পরে উর্মি ক্যামেরা গুলো ভেঙ্গে ফেলেন। ২০১৯ সালে ফেব্রুয়ারী মাসে উর্মিকে তালাক দেন হাবিব। এর কিছু দিন পরেই পাবনা জেলার পুলিশ সুপার গোপালগঞ্জের পুলিশ পাঠিয়ে হাবিবের ব্যবহারিত প্রাইভেট কার ঢাকা মেট্রো-গ-২৯-৩২০৪ নং গাড়ী থানায় নিয়ে যায়। এই সব কিছু আত্মসাত করেন স্ত্রী উর্মি। এমকি ইমাদ পরিবহন (প্রাঃ) লিঃ-এর বিভিন্ন রুটে বিভিন্ন সময়ে এস.পি রফিকুল ইসলাম শিমুল ক্ষমতার অপব্যবহার করে ট্রাফিক পুলিশ সার্জেন্ট ব্যবহার করে হয়রানী করছেন।
সন্তানদের লালন-পালনের জন্য ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ হিসাব নং-৫৪১৬ নাম্বারে মাসে ৬০ হাজার টাকা প্রদান করেন। ২০২০ সালের প্রথম দিকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৬ ঢাকা মামলা নং-২(৩)/২০ তানজিলা হক উর্মি বাদী হয়ে স্বামী শেখ হাবিবুর রহমানকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন। এই ভাবে নানা মিথ্যা মামলা জালে ফেলছে স্বামী হাবিবকে।
নতুন সময়/টিআাই
স্বত্ব © নতুন সময় - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au