প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানালেন ছাত্রদল নেতা সেলিম রেজা
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানালেন ছাত্রদল নেতা সেলিম রেজা প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ সম্প্রতি একটি অনলাইন গণমাধ্যমে প্রকাশিত “সরকারি তিতুমীর কলেজের এক শিক্ষার্থীকে তুলে নিয়ে মারধর ও…
নিজস্ব প্রতিবেদক
সমাজসেবায় গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সমাজসেবায় গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২১ সালের একুশে পদক পেয়েছেন ঢাকা কমিউনিটি হাসপাতাল ট্রাস্ট ( DCH Trust) এবং কমিউনিটি ইনিশিয়েটিভ সোসাইটি (CIS) এর চেয়ারম্যান চিকিৎসক বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক কাজী কামরুজ্জামান (শিশু সার্জন)।
দেশের মুক্তিযুদ্ধ কালীন সময় তিনি বিলেতে উচ্চতর চিকিৎসা ডিগ্রী অর্জনে অধ্যায়ন রত ছিলেন। স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হলে তিনি তাঁর সহপাঠীদের সংগঠিত করেন এবং বিলেতে সংগৃহীত অর্থ, অস্ত্র,ঔষধ এবং মুক্তিযোদ্ধা সহ ভারতে প্রবেশকালে ভারতীয় বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হন।
যদিও পরে জেনারেল ওসমানীর হস্তক্ষেপে মুক্ত হন এবং সরাসরি যুদ্ধে লিপ্ত হন এবং তিনি যুদ্ধের পাশাপাশি অন্য যোদ্ধাদের সঙ্গে করে ফিল্ড হাসপাতাল স্হাপন করেন।
প্রতি বছর ঢাকার বিজয় মেলার সময় বিলেত হতে আগত সতীর্থরা তাঁর এ অনন্য ভূমিকার কথা স্মৃতি কথনে তূলে ধরেন।
স্বাধীনতাযুদ্ধ শেষে তিনি ব্ঙ্গবন্ধুর কথানুযায়ী চিকিৎসা বিজ্ঞানের উচ্চতর ডিগ্রী শেষ করতে বিলেতে ফিরে যান।
ডিগ্রী লাভের পর বিলেতে চিকিৎসা
সেবা শুরু করেন এবং প্রভূত সুনাম অর্জন করেন। সাধারণ মানুষের নাগালে চিকিৎসা সুবিধা পৌঁছে দিতে তিনি দেশে প্রত্যাবর্তন
করেন।
তিনি ডাঃ জাফরুল্লা,ডাঃমাহমুদর ডাঃকামাল আরো কতিপয় চিকিৎসক গড়ে তোলেন গনস্বাস্হ্য কেন্দ্র।
তৎপরবর্তীকালে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন ঢাকা কমিউনিটি হাসপাতাল,যা দেশব্যাপী নাম মাত্র মূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদানের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।
দেশের বিভিন্ন মফস্বলাঞ্চলে এর অসংখ্য শাখা স্হানীয় মানুষের দ্বারা এবং স্হানীয় উদ্যোগে চলমান।
এদেশে বড় কোন দূর্যোগ
তথা বন্যা মহামারীতে হাসপাতালের কর্মী, চিকিৎসকরা ছুটে যান সর্বাগ্রে। পার্শ্ববর্তী নেপালের ভূমিকম্প, পাকিস্তানের বন্যায় এই হাসপাতালের ত্রান কার্য আন্তর্জাতিক
সুনাম অর্জন করে।
দেশের পানিতে প্রাকৃতিক দূর্যোগ
আর্সেনিকের উপস্হিতি ঢাকা কমিউনিটি হাসপাতাল প্রথম নিরুপন করে এবং সঙ্কট নিরসনে আন্তর্জাতিক মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ
করে।
আর্সেনিকে আক্রান্ত রোগীদের সনাক্ত ও চিকিৎসার কাজ কমিউনিটি হাসপাতাল
আজও করে চলেছে। স্বাস্হ্য সমস্যার গবেষনায় এই হাসপাতালের কর্মীদের পাশাপাশি পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের চিকিৎসকরা ও এখানে শিখতে আসেন।
ডঃ জামান নিজের আদর্শের অনুসারী একদল অঙ্গীকারবদ্ধ কর্মীবাহিনী দ্বারা অত্যন্ত নীরবে দেশের স্বাস্হ্য ব্যাস্হাকে
সাধারন মানুষের নাগালে আনতে সচেষ্ট।
প্রচার বিমুখ এই কৃতিজনের শারীরিক সুস্হ্যতা ও দীর্ঘজীবন কামনা করি।
নতুন সময়/ টিআই
স্বত্ব © নতুন সময় - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au