কার্যকারিতা পরীক্ষার জন্য বিএসএমএমইউতে ২‘শটা কিটের নুমনা জমা দিয়েছে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র
ঢাকা: গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, আমি গণস্বাস্থ্যের পক্ষ থেকে দেশেবাসীর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। আমি ক্ষমা চাইছি আমাদের অপারগতার জন্য।
তিনি বলেন, আমাদের র্দুভাগ্য, আমাদের ব্যর্থতা, আমাদের অপারগতা, বিএসএমএমইউ কাছে কিট পৌছাতে পারিনাই। আমাদের কিট আছে কিন্তু তাদের নিয়ে যাওয়ার জন্য যে পত্র সেটা আমাদের কাছে এখনো হস্তান্তর করা হয়নি।
ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, আমরা বুঝাতে সক্ষম হয়নি এটা জাতীয় গুরুত্ব। দ্রæত করাটা দরকার। এ সময়ে আমরা জাতীর জন্য কিছুটা হলেও সাহায্য করতে পারতাম। হয়তো সবকিছুর পরিবর্তন করতে পারতাম না। কিন্তু মানসিকভাবে মানুষকে একটা স্বস্তি দিতে পারতাম।
জাতীর এ ক্লান্তলগ্নে আমরা সরকারের কাছে একটা আবেদন করতে চাইছি। যতোদিন পর্যন্ত না হয়। তুলনা মূলক রিপোর্টটা না আসে ততোদিন আমাদেরকে সাময়িক সনদ পত্র দেন। যাতে আমরা লোকের করোনা হয়েছি কি হয়নি এ পরীক্ষা টুকু করে দিতে পারি।
সোমবার (১১ মে) গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতাল গেরিলা কমান্ডার মেজর এ টি এম হায়দার মিলনায়তনে আয়োজিত এক জরুরী সংবাদ সম্মেলনে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী এসব কথা বলেন।
গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের এ প্রতিষ্ঠাতা আরো বলেন, কিটের কার্যকারিতা পরীক্ষার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) যে কমিটি করেছিলো তাদের পূর্ন ক্ষমতা দেওয়া হয়নি। প্রতিটি তাদের প্রতিটি ধাপে ধাপে অনুমতি নিতে হচ্ছে। চিঠি ভাইস চ্যালেন্সরের দপ্তরে আছে। ওনার চ’ড়ান্ত অনুমোদন শেষে এ কমিটি আমাদের জানাবেন আমরা তাদের দেবো।
তিনি বলেন, আমাদের কাছে কিট আছে আমরা দাবি করছি এটা কার্যকর। কিন্তু আমরা এখনো পর্যন্ত সরকারের অনুমোদনের দার পর্যন্ত পৌছাতে পারিনি। প্রতিদিন সাংবাদিক আমাদের ফোন করেন আমরা বলি কালকে, কালকে।
তিনি জানান, গণস্বাস্থ্য প্রতিদিন ২শ থেকে ৩ শ লোকের কিডনি রোগী ডায়লসিস করে থাকে। রোগী আসে করোনা পজেটিভ তাদের ডায়লসিস করা সম্ভব হয়না। তাই জনসাধারণে কাছে আবেদন করছি আমাদের হাসপাতালের আশে পাশে কেউ ৫ হাজার স্কয়াফিট জায়গা দিলে আমরা সেখানে দ্রæত মেশিন বসিয়ে করোনা আত্রান্ত একশ জনের ডায়লোসিস প্রতিদিন করে দিতে পারি।
অভিযোগের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া বলেন, নো কমেন্ট। আমি প্রজেকট শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করবো না।