দুঃশাসন থেকে গুমের আতঙ্ক এখন সর্বত্র পরিব্যাপ্ত: ফখরুল
ঢাকা: ঐতিহ্যগতভাবে ধর্মীয় সম্প্রীতির দেশ হিসেবে বাংলাদেশ সকল ধর্মের মানুষের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপনে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাসী বলে জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
মঙ্গলবার জন্মাষ্টমী উপলক্ষে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত বাণীতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর হিন্দু ধর্মাবলম্বী সম্প্রদায়কে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
বাণীতে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘জন্মাষ্টমীর এই শুভ দিনে আমি হিন্দু ধর্মের সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি।’
তিনি বলেন, ‘হিন্দু সম্প্রদায়ের আরাধ্য ভগবান বিষ্ণুর অবতার শ্রীকৃষ্ণের জন্মদিন শুভ জন্মাষ্টমী। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে জন্মাষ্টমী একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎসব। এই উৎসব উৎযাপন করা হয় নানাভাবে। হিন্দুধর্মাবলম্বীরা বিশ্বাস করে, ভগবান শ্রীকৃষ্ণ পৃথিবীতে এসেছিলেন সত্য ও সুন্দরের প্রতিষ্ঠার জন্য। তিনি হিংস্রতা ও স্বৈরাচারকে পরাজিত করে সমাজে ন্যায় ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।’
বাণীতে বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, ‘সকল ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসবের মূলবাণী মানুষে মানুষে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও শুভেচ্ছার পরিসর বিস্তৃত করা। সকল কালে সকল যুগে বিভিন্ন ধর্মের প্রবক্তাগণ মানুষকে সত্য, ন্যায় ও কল্যাণের পথে চালিত হওয়ার উপদেশ দিয়েছেন।’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ঐতিহ্যগতভাবে ধর্মীয় সম্প্রীতির দেশ হিসেবে সকল ধর্মের মানুষের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপনে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাসী। আমি জন্মাষ্টমীর এই শুভক্ষণে সকলের সুখ, শান্তি ও কল্যাণ কামনা করছি।’