সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি ঃআশাশুনি উপজেলার আনুলিয়া ইউনিয়নের স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী সাবেক চেয়ারম্যান রুহুল কুদ্দুসের কর্মীদের নির্যাতন করা ও আচরণ বিধি লঙ্ঘন করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত। বুধবার বিকালে রাজাপুরে তার নিজ অফিসে এক জনকীর্ণ লোক সমাগমের উপস্থিতিতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে তার লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন-আগামী ৫ জানুয়ারী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
আমি আনারস প্রতিক নিয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসাবে প্রতিদ্বন্দীতা করছি। কিন্তু দুঃখের বিষয় আমার প্রতিপক্ষ নৌকার প্রার্থী শাহাবুদ্দীন সানা তার দলবল নিয়ে প্রতিনিয়ত আমার কর্মী সমর্থকদের উপর হামলা মামলা অব্যহত রেখেছে।
ইতোমধ্যে আমার ১নং ওয়ার্ডের কর্মী তৈয়েবুর রহমান, ফারুক গাজী, আবু জাফরকে মারপিট করা হয়েছে। এছাড়া হাজী আব্দুল হাকিম সানার হুকুমে শাহাবুদ্দীন সানার দলবল আমার কর্মীদের বাড়ী বাড়ী তল্লাসী সহ নির্বাচনের মাঠে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে চলেছে এবং আনারসের পক্ষে কাজ করলে জীবনে মেরে ফেলার হুমকি ধামকি দিচ্ছে।
আমি বিগত কয়েক দিন আগে রাতে ২নং ওয়ার্ডের ঘোড়া পুকুরের পাশের্^ হাকিম গাজীর চায়ের দোকানে নির্বাচনের আলাপ আলোচনা করাকালীন সময়ে প্রতিপক্ষ শাহাবুদ্দীন সানার নেতৃত্বে তার গাড়ীর বহর নিয়ে আমাকে অবরুদ্ধ করে রাখে। একপর্যায়ে থানা পুলিশের সহযোগিতায় আমাকে নিরাপদে ফিরে যেতে হয়েছে।
এছাড়া মধ্যম একসরা আমার বাড়ীর সামনে, কাকবাসিয়া বাজার, রাজাপুর এবং বৌ বাজারের নৌকার অফিসে নিজেরা আগুন দিয়ে আমার নামে মিথ্যা মামলা দেবে বলে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। বুধবার সকালে আমার কর্মী ইনজাম হোসেন, মারুফ বিল্লাহ ও সালাহউদ্দীন আমার আনারস প্রতিকের পোষ্টার নিয়ে কাকবাসিয়া, ঘাস্টিয়া ও জেলেখালী এলাকায় পোষ্টার টানাতে গেলে নৌকার প্রার্থী শাহাবুদ্দীন সানার ভাগ্নে সাঈদের নেতৃত্বে ২০/২৫ জনের একটি দল আমার ৩ জন কর্মীকে আটক করে আমার পোষ্টারগুলো ছিনিয়ে নিয়ে তাদেরকে মারপিট করে।
একপর্যায়ে নৌকার পোষ্টার আমার কর্মী ইনজামামের হাতে ধরিয়ে দিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে বলতে বাধ্য করে যে, সাবেক চেয়ারম্যান কুদ্দুস নাকি ১ হাজার টাকার বিনিময়ে তাদের ৩ জনের নৌকার পোষ্টার ছিড়তে পাঠিয়েছে। আমার প্রশ্ন আমার এলাকায় কোন একটি জায়গায় নৌকার পোষ্টার ছাড়া অন্য কোন পোষ্টার নাই।
তাহলে আমি কিশের জন্য ৩ কিঃ মিঃ দুরে নৌকার পোষ্টার ছেড়ার জন্য লোক ভাড়া করে পাঠাবো। এমন ঘটনা আমার ইউনিয়নবাসীকে ভাবিয়ে তুলেছে। আমি বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসন এবং উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি খতিয়ে দেখা ও সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ বজায় রাখতে আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছি।