যুবলীগ নেতা মনিরের বিরুদ্ধে কোটি টাকা দূর্নীতির অভিযোগ
ঢাকা: যুবলীগ নেতা মনিরের বিরুদ্ধে দূর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত কমিটির শেষের দিকে এই যুবনেতা সাবেক দপ্তর সম্পাদক কাজী আনিসের আশীর্বাদপুস্ট হয়ে অর্ধশতাধিক নেতার পদায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে কেটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে ভূক্তভোগিরা জানান।
সূত্রমতে, প্রেস রিলিজ টাইপ করার জন্য নিয়োগকৃত মনির ৪মাসের মধ্যেই গাড়ি বাড়ির মালিক বনে যান। কেন্দ্রীয় যুবলীগের একজন প্রভাবশালী নেতা বলেন, ঢাকায় এসে মনিরের আয়ের উৎস ছিলো একটি সি এন জি, আর জয়কালী মন্দিরের টাইপষ্টেন্ডে টাইপ রাইটিং।
সাবেক যুবলীগ সাধারন সম্পাদক হারুনুর রশীদের শশুর বাড়ির আত্মীয় হওয়ার সুবাদে তাকে মোটরসাইকেল আনা নেয়ার কাজে কিছুদিন নিয়োজিত ছিলো। তখন কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য হওয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হন তিনি। কিন্তু ২০১৭এর শেষের দিকে হঠাৎ করেই মনিরের গাড়ি, বাড়ি, টিভি চ্যানেলের মালিক হওয়ায় বিভিন্ন মহলে প্রশ্নের উদ্রেক করে।
এছাড়াও মতিঝিলের মত জায়গায় ২০০০সেফটি অফিস নিয়ে স্বদেশ কর্পোরেশন নামে এম এল এম ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন যার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনির আর চেয়ারম্যান তার স্ত্রী ইতি।
সম্প্রতি বহুল পরিচিত একটি সংবাদ মাধ্যমে মনিরের দূর্নীতির কথা প্রকাশ হওয়ায় অনেকেই এখন মুখ খুলতে শুরু করেছেন। ৬ষ্ট কংগ্রেসের আগ মূহুর্তে দপ্তর সেল নির্মাণের নামে ২০জনেরও অধিক নেতার কাছ থেকে হাতিয়ে নিয়েছেন মোটা অংকের টাকা।
এছাড়াও কম্পিউটার ক্রয়, প্রিন্টার ক্রয়, এসি, ফ্যান কিনার কথা বলে বিভিন্ন জেলার নেতাদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়ার কথা যানা যায়।
বর্তমান কমিটিতে পদ পাইয়ে দেয়ার জন্য, সাবেক দপ্তর সম্পাদক আনিস বাহিনির প্রায় সব নেতাদের সিভি গোপনে জমা করেন এই মনির। সাবেক চেয়ারম্যান ওমর ফারুকের সাথে ফোনে কথা বলতেও শুনেছেন অনেকেই।
বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে যুবলীগ নেতা মনিরুল ইসলাম হাওলাদারের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
এদিকে এসব অভিযোগ সরাসরি বর্তমান নেতৃত্বের কাছে জানিয়েছেন অনেক নেতা, সময়মত তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে আস্বস্ত করেছেন যুবলীগ হাইকমান্ড।
জানতে চাইলে যুবলীগের নীতিনির্ধারক মাইনুল হোসেন খান নিখিল জানান, কোন ধরণের অপরাধ করে যুবলীগের নাম ভাঙ্গিয়ে কোন ব্যবসা বাণিজ্য হবে না। তিনি বলেন, তাছাড়া বির্কত কারীদের জায়গা যুবলীগের নতুন কমিটিতে ও হবে না। এবার যুবলীগ সচ্ছতা বজায় রাখবে।
নতুন সময়/টিআই