প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানালেন ছাত্রদল নেতা সেলিম রেজা
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানালেন ছাত্রদল নেতা সেলিম রেজা প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ সম্প্রতি একটি অনলাইন গণমাধ্যমে প্রকাশিত “সরকারি তিতুমীর কলেজের এক শিক্ষার্থীকে তুলে নিয়ে মারধর ও…
দোয়ারাবাজার (সুনামগঞ্জ) থেকে কামাল পারভেজ : ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা বর্ষণে দোয়ারাবাজার উপজেলার সদর ইউনিয়নের দক্ষিণ বড়বন গ্রামের পাশেও মাইজখলা গ্রামের পাশের হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধ ভেঙে পানিতে ভেসে গেছে ৮ টি বসত ঘর। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের লোকজনদের সরকারী ভবনে থাকার জন্য দোয়ারাবাজার মডেল সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ে আশ্রয় দেয়া হয়েছে। অধিক ঝুঁকিতে বসবাস করছে আর ৫ টি পরিবারের লোকজন।
রবিবার বিকালে সরজমিনে গীয়ে দেখা গেছে বড়বন্দ গ্রাম ৩টি ও মাইজখলা গ্রামের দুইটি পরিবারের লোকজন। গত শুক্রবার বিকালে হটাৎ করে নদীর পানি বারার কারনে হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধের একপাশে ভাঙ্গন দেখাদেয় এসময় বসত ঘর ভেঙে ঘরের স্থানে গভীর গর্তের সৃষ্টি হয়েযায়। পানি না কমলে নতুন করে ঘর তৈরি করা সম্ভব না হওয়া বিপাকে পরেছিল ৮ টি পরিবারের লোকজন।
ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার হলো, দক্ষিণ বড়বন গ্রামের মৃত মিম্বর আলীর পুত্র চেরাগ আলী, ইমান আলীর পুত্র কামাল, মৃত হুছন আলীর পুত্র সুহেল মিয়া, মৃত আলকাছ আলীর পুত্র নুরুল হক, মিম্বর আলীর পুত্র উকিল আলী, মৃত নবীন আলীর পুত্র সমুল্লা, সমুল্লার পুত্র কালাম, মৃত মুজাফফর আলীর পুত্র ইমান আলী, চেরাগ আলীর পুত্র তারা মিয়া, নুর মিয়ার পুত্র আমির আলী।
মাইজখলা গ্রামের সান্তমিয়া। ঘরে থাকা আসবাবপত্র ধান চাউল, পানিতে ভেসে গেছে। বর্তমানে গৃহপালিত গরু ছাগল নিয়ে অসহায় পরিবারের লোকজন চরম ভোগান্তিতে পরেছেন। এব্যাপারে স্থানীয় ব্যবসায়ী লাল মিয়া বলেন, হঠাৎ বাঁধ ভেঙে নিমিষেই ৮ টি পরিবারের ঘরবাড়ির ভিটেমাটি পানির গতি বেগে উড়িয়ে নিয়েযায়। এই মূহুর্তে সরকারি সাহায্য সহায়তা না পেলে ঘর হাঁড়া মানুষ গুলো খোলা আকাশের নিচে না খেয়ে মরার উপক্রম।
ঘর হাঁড়া আবিলা বেগম বলেন, আমি স্বামী হাড়া, একজন অসহায় মহিলা ছেলে মেয়ে নিয়ে মাথা গুছার ঠাই নেই। প্রধান মন্ত্রী সহ স্থানীয় সংসদ সদস্যের দৃষ্টি ও সহযোগিতা কামনা করছি। ইউপি সদস্য কাছম আলী বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে শুকনো খাবার সহ তাদেরকে স্কুলের ভবনে থাকার জন্য জায়গা দেওয়া হয়েছে। এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দেবাংশু কুমার সিংহ জানান, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছি উনাদের শুকনো খাবার ও স্কুল ভবনে থাকার জায়গা দেওয়া হয়েছে।
স্বত্ব © নতুন সময় - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au