এমএলএসের টুর্নামেন্ট সেরা মেসি, গড়েছেন শিরোপা জয়ের রেকর্ড
খেলা: ‘এলেন, দেখলেন এবং জয় করলেন।’ এর আগেও বহুবার এই বাক্যটা ব্যবহার হয়েছে বহু নামের সাথে। তবে মেসির মতো পেরেছেন ক’জন? যিনি শুধু জয় করেননি,…
চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি : চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে দাফনের ৫ মাস পর কবর থেকে মোরশালিন (১৯) নামের এক শ্রমিকের লাশ উত্তোলন করেছে পুলিশ। মামলার বাদির আবেদনের প্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আশিস মমতাজ ও গোমস্তাপুর থানার ওসি (তদন্ত) সেলিম রেজার উপস্থিতিতে এ লাশ উত্তোলন করা হয়। গোমস্তাপুর উপজেলার বোয়ালিয়া ইউনিয়নের লক্ষীনারায়নপুর গ্রামের নানিহাটা সরকারি গোরস্থান থেকে গতকাল শুক্রবার সকালে লাশটি উত্তোলন করা হয়।
গত ৫ মাস আগে নিহত মোরশালিন ওই গ্রামের শুকুর উদ্দিনের ছেলে। নিহত হওয়ার সময় ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহ পাওয়া যায়। কিন্তু পরিবারের দাবি, তাকে হত্যা করার পর আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দিতেই মরদেহ ঝুলিয়ে রাখা হয়। নিহতের পরিবার দাবি, গত বছরের ১৫ আগষ্ট মোরসালিন ঘাটনগর বাজার থেকে বাড়িতে ফেরার পথে পাশের বাড়ির একটি নির্মাণাধীন বাড়িতে তাকে হত্যা করা হয়। ওইদিন রাতে তাকে মেরে শোবার ঘরের রশি দিয়ে ঝুলিয়ে রেখে হত্যাকারীরা চলে যায়।
পরে নিহতের পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে গোমস্তাপুর থানার ওসি (তদন্ত) সেলিম রেজা লাশ উত্তোলনের মাধ্যমে পুনরায় ময়নাতদন্তের জন্য আদালতের নিকট আবেদন করলে আদালত লাশ উত্তোলনের অনুমতি দেয়। এ ঘটনায় মোরশালিনের মা সিরিনা বেগম বাদি হয়ে মোরশালিনের স্ত্রী চম্পা খাতুনকে প্রধান আসামি করে ৫ জনের বিরুদ্ধে চাঁপাইনবাবগঞ্জ আদালতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলাটি গোমস্তাপুর থানা পুলিশকে তদন্তের জন্য হস্তান্তর করা হয়। তবে এখন পর্যন্ত কোন আসামীকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। নিহতের মামা রফিকুল ইসলাম জানান, নিহত মোরশালিনকে হত্যা করে তার বাড়ির শোবার ঘরে ঝুলিয়ে রেখে গেছিল। তার শরীরে পরিহিত পোষাকে কাঁদা-মাটির চিহ্ন পাওয়া গেছে। পাশের বাড়ির একটি নির্মাণাধীন ভবনের বাথ রুমের ভিতরে তাকে হত্যা করার সময় ধস্তাধস্তির চিহ্ন পাওয়া গেছে।
এছাড়াও একটি গামছা ও রশি পড়ে ছিল সেখানে। এসব আলামত দেখেই প্রমাণ পাওয়া যায়, তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ওসি তদন্ত সেলিম রেজা জানান, বাদির আবেদনের প্রেক্ষিতে লাশ উত্তোলনের নির্দেশ দেয় আদালত। আদালতের নির্দেশনানুযায়ী লাশ তুলে ময়না তদন্তের জন্যে মর্গে পাঠানো হয়েছে।
স্বত্ব © নতুন সময় - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au