প্রবাসী তরুনীর বিরুদ্ধে মিথ্যা ধর্ষণ মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ!
নিজস্ব প্রতিবেদক: মরিয়ম আক্তার নামের এক নারী শ্রমিকের মিথ্যাচারের বলি হতে চলছে মৌরিশাসে পাড়ি দেয়া বাংলাদেশী হাজার হাজার রেমিটেন্স যোদ্ধা। তাদের অভিযোগ, স্বার্থ হাসিলে ব্যর্থ হয়ে মরিয়ম দেশে ফিরে ধর্ষণের নাটক সাজিয়েছে।
শ্রমিকরা জানান, মৌরিশাসে বাংলাদেশিরা দীর্ঘদিন ধরে যে সুনামের সাথে কাজ করে আসছিলো এক মরিয়ম তা শেষ করে দিয়েছে।
২০১৪ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে ১০ হাজারেরও বেশি বাংলাদেশী ভাগ্য ফেরাতে পাড়ি জমায় সুদূর মৌরিশাস। তারেই একজন মরিয়ম। দুই বছর সেখানে কাজ করার পর মরিয়ম দেশে ফিরে আসে। এরও প্রায় ৭ মাস পর মৌরিশাসের ফায়ার মাউন্ট কোম্পানীর বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও নির্যাাতের অভিযোগ তোলেন মরিয়ম।
এ বিষয়টি নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হলে মুখ খুলতে শুরু করে মৌরিশাসে কর্মরত রেমিটেন্স যোদ্ধারা। তারা বলছেন, ফায়ার মাউন্ট টেক্সটাইল নামের যে প্রতিষ্ঠানের মালিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তীহীন।
মরিয়ম সেখানে শাহ আলম নামের যে ব্যক্তির সাথে স্বামী স্ত্রীর পরিচয়ে বসবাস করতেন মরিসাস।
সেই ব্যক্তিও ক্যামেরার সামনে মরিয়মের মুখোশ খুলে দেন। তিনি জানান দুই বছর তার বাসায় স্বামী স্ত্রী পরিচয়ে থাকতেন মরিয়ম। আর দেশে গেয়ে তাদের মালিকের নামে ধর্ষনের অভিযোগ দিয়েছেন যার কোন প্রমান নেই।
অবস্থানরত মরিয়মের রুমমেট মৌরিশাসে পাঠানো এজেন্সি গোলাম রাব্বাী এন্টার প্রাইজের মালিক জানান, স্বার্থ হাসিলে ব্যর্থ হয়ে মরিয়ম আক্তার মামলা করেছে। এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত চেয়ে মৌরিশাসে অবস্থিত বাংলাদেশী হাইকমিশনকে সুপারিশ জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মরিয়ম বলেন, স্বামী-স্ত্রীর পরিচয়ে আমি ছিলাম এ কথাগুলো বলে আমাকে মামলা থেকে থামানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
নতুন সময়/টিআই