প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানালেন ছাত্রদল নেতা সেলিম রেজা
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানালেন ছাত্রদল নেতা সেলিম রেজা প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ সম্প্রতি একটি অনলাইন গণমাধ্যমে প্রকাশিত “সরকারি তিতুমীর কলেজের এক শিক্ষার্থীকে তুলে নিয়ে মারধর ও…
ঢাকা: স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ফেরার চেষ্টাকে ম্লান করে দিয়ে গেল দুই সপ্তাহ ধরে দেশে ব্যাপক হারে করোনায় আক্রান্ত রোগী ও মৃত্যুর ঘটনা বেড়েছে। ফলে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে সরকার আবারও রাজধানী ঢাকাসহ গোটা দেশকে জোনভিত্তিক লকডাউনের আওতায় নিয়ে আসছে।
করোনা সংক্রমণ রোধের পাশাপাশি অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে দেশকে রেড, ইয়োলো ও গ্রিন এই তিনটি জোনে ভাগ করছে সরকার। কোনও এলাকায় কোন রঙ থাকবে সেটার জন্য বিভিন্ন নীতিমালাও চূড়ান্ত করা হয়েছে।
জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন জানান, ঢাকায় কোনও এলাকায় যদি প্রতি ১ লাখ জনসংখ্যার মধ্যে ৩০ জন করোনা আক্রান্ত রোগী পাওয়া যায়, তাহলে ওই এলাকাকে রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হবে।
আর ঢাকার বাইরে কোনও এলাকায় যদি প্রতি ১ লাখ জনসংখ্যার মধ্যে ১০ জনও করোনা আক্রান্ত রোগী পাওয়া যায়, তাহলে ওই এলাকাকে রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হবে বলেও জানান তিনি।
তিনি জানান, ঢাকার বাইরে কোনও এলাকায় যদি প্রতি ১ লাখ জনসংখ্যার মধ্যে ৩ থেকে ৯ জন করোনা আক্রান্ত রোগী পাওয়া যায়, তাহলে ওই এলাকাকে ইয়োলো জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হবে। আর যে এলাকায় আক্রান্ত একেবারে কম সেই এলাকা গ্রিন জোনের আওতায় থাকবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘জোনিং নিয়ে প্রস্তাবনা চূড়ান্ত করা হয়েছে। সেটি প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমরা পাঠাবো। এ বিষয়ে প্রস্তাবনায় সংযোজন ও বিয়োজন করে প্রধানমন্ত্রী চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন।’
তবে সংক্রমণের মাত্রা বাড়লেও দেশের জনজীবন ও দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে সরকার আর সাধারণ ছুটিতে যেতে চায় না।
এ বিষয়ে ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘দেখুন, দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখতে প্রধানমন্ত্রী সীমিত পরিসরে সরকারি অফিস খুলে দিয়েছেন। এ বিষয়ে এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে যাই হবে, প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে।’
স্বত্ব © নতুন সময় - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au