এমএলএসের টুর্নামেন্ট সেরা মেসি, গড়েছেন শিরোপা জয়ের রেকর্ড
খেলা: ‘এলেন, দেখলেন এবং জয় করলেন।’ এর আগেও বহুবার এই বাক্যটা ব্যবহার হয়েছে বহু নামের সাথে। তবে মেসির মতো পেরেছেন ক’জন? যিনি শুধু জয় করেননি,…
বাঘারপাড়া প্রতিদিন, যশোর জেলা বাঘারপাড়া উপজেলা এলাকায় বিদ্যুতের লোডশেডিং এর কারণে অস্বস্তিতে সাধারণ মানুষ।
সাধারণ মানুষের অভিযোগ, লোড শেডিং এর জন্য বাঘারপাড়ার বিদ্যুৎ পরিচালিত কর্মকর্তাদের স্বর্ণ পদক দেওয়া হয়। তাদের অভিযোগ, মানুষকে কষ্ট দিয়ে এ স্বর্ণপদক দিয়ে কি হবে?
সাধারণ মানুষের আরো অভিযোগ, অকারনে বেশ কয়েকবার অত্র এলাকার বিদ্যুৎ বন্ধ করে দেয় বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ।

বাঘারপাড়া উপজেলার এক বাসিন্দা বলেন, আমাদের এলাকার ভিতরে বিদ্যুতের সার্ভিস মোটেও ভালো না।
দোকলা ইউনিয়নের জলিল মিঞা বলেন, অন্যান্য এলাকায় বিদ্যুতের সার্ভিস অনেক ভালো। আমাদের এলাকায় বিদ্যুতের সার্ভিস মোটেও ভালো না। তারা নিজেদের কেরামতিতে চলে।
নারিকেলবাড়িয়া ইউনিয়নের মশিউর রহমান বলেন, এখানে যারা বিদ্যুৎ সার্ভিস পরিচালনা করেন তারা নাকি বিভিন্নভাবে পুরস্কার পান। কিভাবে তারা পুরস্কার পায় তা আমার বোধগম্য নয়।
ধলগ্রাম ইউনিয়নের নাম অপ্রকাশ্যে মোল্লাবাড়ির এক ব্যক্তি বলেন, প্রতিদিন ৪ থেকে ৫ বার আমাদের এলাকার বিদ্যুৎ নিয়ে যাওয়া হয়। ট্রান্সমিটার অথবা অন্য কোন সমস্যা হলে কোনো খোঁজ-খবর নেয় না বিদ্যুৎ অফিস। তাদের কে ফোন করে বারবার জানাতে হয়।
ধলগ্রাম ইউনিয়নের একাধিক বাসিন্দারা জানান, জরুরী বিদ্যুৎ সেবা সার্ভিসের মোবাইল নাম্বারে ফোন দিলে তারা মোবাইল ফোন রিসিভ করেনা। জরুরী কোন কাজে তাদের ফোন করা হলে তারা বিরক্ত বোধ করেন।
বল্লামুখ গ্রামের এক ডাক্তার বলেন, আমাদের দরকারী কাজে এখান থেকে বিদ্যুৎ অফিসে ফোন করলে তারা অসন্তুষ্ট থাকে। অনেক সময় শাস্তি হিসেবে বিদ্যুৎ বন্ধ করে রাখে।
দশ পাকিয়া গ্রামের শিমুর সরদার বলেন, বাঘারপাড়ায় যিনি বিদ্যুৎ পরিচালনা করেন তিনি নাকি স্বর্ণপদক পান। এভাবে লোডশেডিং এর মাধ্যমে মানুষকে কষ্ট দেওয়ার কোন মানে হয়না। সাধারণ মানুষ যদি কষ্ট পায় তাহলে স্বর্ণপদক যে কি হবে?
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তা ডিজিএম আতিকুর রহমান চৌধুরী বলেন, এখানে বিদ্যুৎ সার্ভিসের জন্য স্বর্ণ পদক দেওয়া হয় অথবা পুরস্কার দেওয়া হয় এমন কথা আমার জানা নেই।
লোডশেডিং এর বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কোন লোডশেডিং না এখন ঝড় বৃষ্টির সময় আমাদের প্রয়োজন হলে বিদ্যুৎ বন্ধ করে রাখি আবার ছেড়ে দিই।
দিনে ৪ থেকে ৫ বার লোডশেডিং হয় আর আপনাদের মোবাইল নাম্বারে ফোন দিলে আপনারা বিরক্ত বোধ করেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এমন কোন ঘটনা আমার জানা নেই তবে লোডশেডিং নাই।
ডিজিএম বলেন, আমরা বিদ্যুতের ভালো সার্ভিস দেওয়ার চেষ্টা করছি। আশা করি আমাদের বিদ্যুতের সার্ভিসের জন্য অত্র এলাকাবাসী সন্তুষ্টি প্রকাশ করবেন।
স্বত্ব © নতুন সময় - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au