এমএলএসের টুর্নামেন্ট সেরা মেসি, গড়েছেন শিরোপা জয়ের রেকর্ড
খেলা: ‘এলেন, দেখলেন এবং জয় করলেন।’ এর আগেও বহুবার এই বাক্যটা ব্যবহার হয়েছে বহু নামের সাথে। তবে মেসির মতো পেরেছেন ক’জন? যিনি শুধু জয় করেননি,…
লিয়াকত রাজশাহী ব্যুরোঃ রাজশাহীর গোদাগাড়িতে আগ্নেয়াস্ত্র ঠেকিয়ে খায়রুল ইসলাম নামে এক মাছচাষির পুকুর থেকে কয়েক দফায় প্রায় ২০০ মন মাছ লুট করার অভিযোগ উঠেছে রাজশাহী বার এ্যাসোসিয়েশনের সদস্য এ্যাডভোকেট আব্দুল ওহাব জেমসের বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় গত মঙ্গলবার (২২ ডিসেম্বর) গোদাগাড়ি থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী ওই মাছচাষি। ভুক্তভোগী খায়রুল ইসলাম উপজেলার সুলতানগঞ্জ এলাকার এমাজ উদ্দীনের ছেলে।
লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, খায়রুল উপজেলার মালকামলা গ্রামে শফিকুল ইসলামের কাছ থেকে পাঁচ বছর মেয়াদে দুটি পুকুর লিজ নেন। সেখানে মাছ ছাড়ার এক বছরেও তিনি কোনো মাছ উত্তোলন করেন নি। কিন্ত গত ১২ নভেম্বর রাত ৩টার দিকে রাজশাহী কোর্টের আইনজীবী আব্দুল ওহাব জেমস ও তার লোকজন মাছ লুট করতে থাকেন।
খবর পেয়ে খায়রুল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে কয়েকজন অস্ত্রধারী তাকে আগ্নেয়াস্ত্র ঠেকিয়ে ১০০ মন মাছ লুট করে পালিয়ে যান। পরবতর্ীতে তারা গত ১৭ ও ১৮ নভেম্বর গভীর রাতে আবারো ১০০ মন মাছ লুট করেন।
মাছচাষি খায়রুল ইসলাম জানান, এর আগেও থানায় অভিযোগ দেয়া হলেও পুলিশ কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। সবশেষ মঙ্গলবার আবারো অভিযোগ দিয়েছেন তিনি। তবে অভিযোগের চারদিনেও কোনো ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ।
এছাড়া অভিযোগের অনুলিপি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়েও পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় দ্রুত এ্যাডভোকেট জেমস ও তার লোকজনের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী মাছচাষি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত রাজশাহী কোর্টের আইনজীবী আব্দুল ওহাব জেমস বলেন, অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। তাছাড়া চার বিঘা জমির পুকুর থেকে ২০০ মণ মাছ লুটের অভিযোগ হাস্যকর। তবে পুুকুরের মালিক আমার নিকটাত্মীয় এবং তার সঙ্গেই মাছচাষি খাইরুলের ঝামেলা চলছে।
গোদাগাড়ি মডেল থানার ওসি খলিলুর রহমান পাটোয়ারী জানান, থানায় অভিযোগ হয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
স্বত্ব © নতুন সময় - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au