নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি : নারায়ণগঞ্জের তল্লা মসজিদে বিস্ফোরণের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২৭ জন। চিকিৎসাধীন ১০ জনের কেবল একজনেরই শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। বাকি ৯ জনের অবস্থাই গুরুতর। আজ এ-কথা জানিয়েছেন শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের চিকিৎসকেরা।
পিতার কাঁধে সন্তানের লাশ পৃথিবীর সবচেয়ে ভারি বোঝা, সবচেয়ে মর্মান্তিক। ৩২ বছরের সন্তানকে তাই শোকে নিথর তার বাবা। শরীরের ৯৬ শতাংশ পুড়ে যাওয়ায় ইমরান চলে গেছে না ফেরার দেশে।
৫৫ বছর বয়সী মো. ফরিদ। কৃষিকাজ করে চালাতেন ছয় জনের সংসার। পুড়ে গেছে শরীরের ৯৩ শতাংশ। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শ্বাসনালীও। পরিবার প্রধানকে নিয়ে তাই দুশ্চিন্তা দিশেহারা তার সন্তান।
শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন পার্থ শংকর পাল জানান, দগ্ধদের বেশিরভারই আইসিইউতে এবং একজন সাধারণ ওয়ার্ডে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
সাধারণ ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন যুবক মানুন ছাড়া বাকি কেউই শঙ্কামুক্ত নন বলে জানান এই চিকিৎসক।
গত শুক্রবার নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় তল্লা মসজিদে গ্যাসের লাইন লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে নামাজ পড়ার সময় অগ্নিদগ্ধ হন ৩৭ মুসল্লি।
নতুন সময়/শাকি