ফারাক্কার ১০৯ গেট খুলল ভারত, বন্যাঝুঁকিতে বাংলাদেশের যেসব জেলা
ঢাকা: ভারতের বিহার ও ঝাড়খণ্ডে বন্যার জেরে ফারাক্কা ব্যারেজের ১০৯টি গেট খুলে দিয়েছে ভারত। সোমবার (২৬ আগস্ট) গেট খুলে দেয়া হয়। এতে একদিনে বাংলাদেশে ঢুকবে…
লেখক : শিল্পী, মুরারই, তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী।
ভারতবর্ষের ইতিহাসের কলঙ্কিত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র দামোদর দাস মোদি ও তার দল ভারতীয় জনতা পার্টিকে এদেশের আপামর শান্তিপ্রিয় জনগণ সম্প্রীতি বজায় রেখে পবিত্র ঈদুল আজাহা পালনের মাধ্যমে বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য যে ভারতবর্ষ তার সম্মান একদিকে যেমন অক্ষুন্ন রেখেছে অন্যদিকে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার জনক নরেন্দ্র মোদির সরকার এবং দাঙ্গাবাজ তৈরির কারখানা ভারতীয় জনতা পার্টিকে চটপোঘাত করা হয়েছে। মোদি সরকারের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বিনষ্ট নীতি আর তাদের সহযোগী বিজেপি আরএসএস এর গুন্ডা সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ভারতবর্ষের চটপোঘাত।
বিজেপি সরকারের দু:শাসনে এমনিতেই মানুষের দুর্ভোগ আজ চরমে উঠেছে। দেশের যেখানেই বিজেপির সরকার সেখানেই নিরীহ নির্দোষ ব্যক্তিকে পুলিশ হয়রানি করছে, আর বিজেপি আরএসএস গুন্ডারা খুন, র্ধষণ, হত্যার মত কুকর্মে মত্ত রয়েছে। ঐতিহাসিকভাবে প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোকে ভারতবর্ষকে যেমন সমীহ করতো, এই মোদি সরকার গঠন করার পর থেকে সেই প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলো অবজ্ঞা করছে। সীমান্তে যুদ্ধংদেহী পরিস্থিতি। আমার ভারতমাতার কোল খালি হচ্ছে মোদি সরকারেরর অবাস্তব, অযৌক্তিক নীতির কারণে।
বৈশ্বিক অদৃশ্য করোনা ভাইরাসে ভারতীয় আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে মোদি সরকার যে জঘন্য নীতি নিয়েছে তা ইতিহাসের সবচেয়ে কলঙ্কজনক হিসেবে চিহ্নিত থাকবে। অগণতি পরিযায়ী শ্রমিকদের রক্ত চুষে নিয়ে তাদের নি:স্ব করা হয়েছে। অন্ন বস্ত্র আহার বাসস্থান, চিকিৎসা, নিরাপত্তা একজন নাগরিকের মৌলিক চাহিদা। কিন্তু এই ফ্যাসিস্ট মোদি সরকার মানুষের চাহিদার কথা বেমালুম ভুলে গিয়ে তাদের পকেট ভারি করতে ব্যস্ত রয়েছে। আর প্রতিনিয়ত মানুষের সাথে প্রতারণা করছে, মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। ভাবা যায় সেসব কর্মহীন ক্ষুর্ধাত মানুষগুলো এই সময় কিভাবে দিন পার করছে? আর মোদি বাবু রয়েছেন বিভেদ, বিভ্রান্ত, বিতৃষ্ণার রাজনীতি নিয়ে। কোথাও হিন্দু-মুসলিম, কোথাও ব্রাহ্মন-দলিত, কোথাও বা ধনী গরীব এভাবে অত্যন্ত সুকৌশলে তারা এই ঘৃণ্য অপকর্ম করে যাচ্ছে।
আমি ভারতবর্ষের পরিচ্ছন্ন রাজনীতির অলঙ্কার, বাংলার অহঙ্কার, জনগণমণ অধিনায়িকা, ভারতবর্ষের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মুখ্যমন্ত্রী, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের আদর্শের সৈনিক। সবুজ জোড়া ঘাসফুল আমার অক্সিজেন। বঙ্গরাজনীতির নেতা গড়ার কারিগর মমতা বন্দোপাধ্যায়ের পরীক্ষীত ও বিশ্বস্ত হাতিয়ার বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি শ্রদ্বেয় অনুব্রত মন্ডল ( কেষ্ট দা), চেয়ারম্যান পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সুযোগ্য কৃষিমন্ত্রী অধ্যাপক ড. আশিষ ব্যানর্জীর আশীর্বাদপুষ্ট শিল্পী আমি।
আমি মোদি সরকার ও বিজেপি নেতৃবর্গের প্রতি উদাত্ত আহবান জানাচ্ছি বঙ্গরাজনীতির নেতা গড়ার করিগরদের দক্ষ পরিশ্রর্মী এক ঝাঁক রাজনৈতিক কর্মী রয়েছে। তাদের থেকে রাষ্ট্র পরিচালনার নীতি শিখে যাও। বীরভূমের যুব সমাজের অলঙ্কার তথা জেলা যুব তৃনমূল কংগ্রেস সভাপতি বিধান চন্দ্র মাঝি, রয়েছেন গরীবের রবিন হুড কাজল সেখ, মুর্শিদাবাদে রয়েছেন এমপি আবু তাহের খান, ডোমকল পৌরপতি জাফিকুল ইসলাম।
যুবরাই একটা দেশের প্রধান চালিকা শক্তি। সেই যুবদের সুসংগঠিত করে সমৃদ্ধি উন্নয়নের চাকাকে আরও বেগবান করতে বিধান চন্দ্র মাঝির মত একজন মানুষ গড়ার কারিগর যুব তৃণমূলের হয়ে বলিষ্ঠ নেতৃত্ব দিচ্ছেন। কেষ্ঠ দার ছায়া তলে থেকে বিধান চন্দ্র মাঝি তার সুযোগ্য নেতৃত্বে বীরভূমের যুব সমাজে আলো ছড়াচ্ছেন
ডোমকলের সুযোগ্য পৌরপতি জাফিকুল ইসলাম এই লকডাউেনর মধ্যে হিন্দু মুসলিম ভেদাভেদ করেন নি। বরং মোদি সরকার, বিজেপি নেতাদের মুখে চটপোঘাত করেছন তার উদার মানবিক কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে। লকাউডনে অসহায় হয়ে পড়া মানুষের মুখে এক চিলতে হাসি ফোটাতে তিনি এ পর্যন্ত প্রায় অর্ধ কোটি টাকা খরচ করেছেন।
মমতা বন্দোপাধ্যায়ের আরেক বিশ্বস্ত হাতিয়ার এমপি আবু তাহের খান পবিত্র ঈদুল আজাহার উৎসবে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত রেখে যাচ্ছেন দীর্ঘকাল ধরে। এবারো এলাকার অন্তত সহস্রাধিক হিন্দু মুসলিম সহ অন্যান্য ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মানুষেক অতিথি হিসেবে আপায়্যন করে তার উদার মানবিকতার পরিচয় দিয়ে যাচ্ছেন প্রতিনয়ত।
মমতা ব্যানার্জীর এই সৈনিকদের থেকে মোদি সরকার ও বিজেপি আর এসএস শিখে যাও কিভাবে শান্তিপূর্ণ উপায়ে মানুষের জন্য কল্যাণকর সমাজ ব্যবস্থা করতে হয়। মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে হয়, সেই হাসি ধরে রাখতে হয়, দিদিও এই সেনারা জানে, কিভাবে দু:খী মানুষের চোখের জল মুছে দিতে হয়।
বিজেপি আরএসএস চাইলে শিক্ষা নিতে পারে ভারতবর্ষের যুব সমাজের অলঙ্কার বাংলার অহঙ্কার অভিষেক বন্দোপাধ্যায়, পার্থ ভৌমিক, শতাব্দী রায়, মহুয়া মৈত্রসহ অনেকে রয়েছেন যাদের থেকে মানকি রাজনীতি শেখার অফুরন্ত সৈনিক রয়েছে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, নজরুল ইসলাম, শরৎ চন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, ঈশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসগর, রাজা রাম মোহন রায়, বাঘা যতীন, বিনয় বাদলদের, ক্ষুদিরাম, সুবাস বোসদের যোগ্য উত্তরসুরিরা হচ্ছে মমতা ব্যানার্জীর সৈনিকেরা।
মমতা বন্দোপাধ্যায়ের সৈনিকেরা বাংলায় বিকাশ দুবে তৈরি হতে দেবে না। সাবান কেলেঙ্কারির কারখানা গড়তে দেবে না। ২০২১-এ লড়াইয়ে বিজেপির অবস্থান চিতাখোলায় চূড়ান্ত করেছে বাংলার জনগণ। বাংলার জনগণ ঘাসফুলেই আশ্বস্ত।
জয় হিন্দ, জয় বাংলা, মমতা ব্যানার্জী জিন্দাবাদ, তৃণমূল কংগ্রেস জিন্দাবাদ।
নতুন সময়২৪ডটকম
স্বত্ব © নতুন সময় - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au