প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানালেন ছাত্রদল নেতা সেলিম রেজা
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানালেন ছাত্রদল নেতা সেলিম রেজা প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ সম্প্রতি একটি অনলাইন গণমাধ্যমে প্রকাশিত “সরকারি তিতুমীর কলেজের এক শিক্ষার্থীকে তুলে নিয়ে মারধর ও…
ক্রীড়া ডেস্ক: করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্বের অধিকাংশ দেশের মতো স্পেনের সবধরনের ফুটবল স্থগিত করা হয়েছে। যে কারণে বার্সেলোনার আয়ের পথও আপাতত বন্ধ। এ অবস্থায় খেলোয়াড়দের বেতন থেকে একটা অংশ কেটে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় কাতালানরা। কিন্তু বেঁকে বসেন ক্লাবের সিনিয়র ফুটবলাররা। যে কারণে দুই পক্ষের মধ্যে একাধিকবার আলোচনাও হয়েছে। তবে কোন সিদ্ধান্তে আসতে পারেনি তারা। তারপরও লিওনেল মেসিদের বেতন কাটার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে কাতালান জায়ান্টরা। যদিও দুই পক্ষের আলোচনা চলতে থাকবে। কিন্তু সিদ্ধান্ত বদল হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। এমনটাই জানিয়েছে মার্কা।
করোনার কারণে ক্লাবের আর্থিক ক্ষতি পুষিয়ে নিতে খেলোয়াড়দের বেতন কাটার সিদ্ধান্তটা মাথায় আসে ক্লাব প্রেসিডেন্ট হোসে মারিয়া বার্তমেউ’র। তিনিই প্রথম মনে করিয়ে দেন এভাবে চলতে থাকলে চলতি মৌসুমের সব খরচ বহন করা ক্লাবের পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়বে। এরপর বেতন কাটাই সেরা উপায় হিসেবে দেখা শুরু হয়।
প্রথমে বেতন কাটার ব্যাপারটিতে খুব একটা গুরুত্ব দেয়নি বার্সার খেলোয়াড়রা। কেননা তারা ভালো করেই জানেন করোনা পরিস্থিতির অবনতির কারণে তাদের আয়ে ধাক্কা লাগবেই। কিন্তু ক্লাবের প্রস্তাব সঙ্গে সঙ্গে নাকচ করে দেন মেসিরা। কারণ সেসময় তাদের মোট বেতনের ৭০ শতাংশ কেটে নেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল।
মেসিদের আপত্তির কারণে প্রথমে কিছুটা ব্যাকফুটে চলে যায় বার্সার মালিকপক্ষ। কিন্তু এরপর সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসে খোদ ফিফা। সংস্থাটি জানায় টুর্নামেন্টগুলো যতদিন স্থগিত থাকবে ততদিন খেলোয়াড়দের বেতনের অর্ধেক কেটে রাখা হোক। যে কারণে এবার বার্সেলোনা সুযোগ পেয়ে নিজেদের আগের অবস্থানে ফিরে গেল।
স্বত্ব © নতুন সময় - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au