এমএলএসের টুর্নামেন্ট সেরা মেসি, গড়েছেন শিরোপা জয়ের রেকর্ড
খেলা: ‘এলেন, দেখলেন এবং জয় করলেন।’ এর আগেও বহুবার এই বাক্যটা ব্যবহার হয়েছে বহু নামের সাথে। তবে মেসির মতো পেরেছেন ক’জন? যিনি শুধু জয় করেননি,…
দোয়ারাবাজার (সুনামগঞ্জ)প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে ছাত্রদলের মিছিলে ছাত্রলীগের ধাওয়া। বিএনপির ৬ জন নেতা কর্মী আহত। ছাত্রলীগের ধাওয়ায় বিএনপি ও ছাত্রদলের মিছিলটি ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। রবিবার বিকালে দোয়ারাবাজার উপজেলা সদরে ছাত্রদলের কেন্দ্রিয় কর্মসুচির অংশ হিসাবে মিছিল বের করলে ধাওয়া করে ছাত্রলীগ ও যুবলীগ নেতাকর্মী। এ সময় পুলিশ প্রশাসন তৎপর থাকায় ছাত্রলীগ ও ছাত্রদলের মধ্যে বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটলেও, পূর্বঘোষিত ছাত্রদলের কেন্দ্রিয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে রবিবার সকাল থেকেই উপজেলা সদরে ছাত্রদলের নেতা কর্মীরা জড়ো হতে থাকে। বিকাল ৩ টার দিকে উপজেলা পরিষদের সম্মুখ থেকে মিছিলটি বের হয়ে বাজারের দিকে অগ্রসর হলে দোয়ারাবাজার সকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশে আসার পরপরই ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা ধাওয়া করে। পরে মিছিলটি সংঘ্যবদ্ধ হয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বাসভবনের সামনে ২ ঘন্টাব্যাপী লাঠি শোটা ও ইট পাটকেল নিয়া অবস্থান নেয়।
এসময় আহতরা হলেন, বিএনপি ও যুবদলের আহতরা হলেন, উপজেলা সেচ্ছা সেবকক দলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য এরশাদুর রহমান, যুবদলের আহবায়ক মাদব রায়, যুবদলের সদস্য সচিব জামাল উদ্দিন, বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য এইচ এম কামাল, যুবদল নেতা রাফিকুল ও আবরু মিয়া। উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহবায়ক রতন লাল দাস ও ছাত্রলীগ নেতা এনামুল হাসান হৃদয় বলেন, রবিবার বিকেলে আমরা, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক জুয়েল, জননেত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দেওয়ায় তাকে দ্রুত গ্রেফতারের দাবিতে আমরা মানববন্ধন করছিলাম। এসময় বিএনপি ও ছত্রদলের মিছিলে আমার নেত্রী শেখ হাসিনাকে অকথ্য ভাসায় গালিগালাজ করে মিছিলটি বাজারের দিকে অগ্রসর হতে থাকে। ছত্রলীগের পক্ষ থেকে অকথ্য ভাষা পরিহার করে শান্তিপূর্ণ ভাবে মিছিল করার আহবান জানাই।
এতে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে আরো বেশি গালিগালাজ করতে থাকে। পরে ছাত্রলীগের নেতাকর্মী বাঁধা প্রধান করে। বিএনপির জেলা কমিটির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ও দোয়ারাবাজার সদর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল বারী বলেন, কেন্দ্রীয় কমিটির অংশ হিসেবে আমরা শনিবার রাতে দোয়ারাবাজার থানায় গিয়ে বরিবার বিকেলে মিছিলটি করার জন্য অনুমতি নিয়ে মিছিলটি বের করি। এসময় আওয়ামীলীগ ও ছত্রলীগের সন্ত্রাসীবাহীনী আমাদের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। আমাদের কয়েকজন নেতাকর্মীকেও মারপিট করে আহত করেছে তারা। আজকের ঘটনায় পুলিশ প্রশাসন আমাদেরকে যথেষ্ট সহযোগিতা করায় কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি, কিন্তু আাগামীতে আমরা প্রশাসনের কোন সহযোগিতা ছাড়াই এর দাত ভাঙ্গা জবাব দেয়ারজন্য প্রস্তত আছি। দোয়ারাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দেব দুলাল ধর বলেন, রবিবার বিকেলে ছাত্রদল মিছিল বের করে। এসময় ছত্রলীগের নেতাকর্মীরা মিছিলটি প্রতিহত করার চেষ্টা করে। আমরা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণে রাখার সার্থে আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করেছি।
স্বত্ব © নতুন সময় - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au