‘বৈশ্বিক কর্মে যুবদের সম্পৃক্ততা’ এটা আন্তর্জাতিক যুব দিবসের এবারের থিম হলেও বাংলায় তৃণমূল কংগ্রেস ও পশ্চিবঙ্গ সরকার আরও আগে থেকেই বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন। তারপর এবার বিশ্বসভার নজর পড়েছে যুবদের বৈশ্বিক কর্মে সম্পৃক্ততার।
বাংলায় যুব শক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের জন্য রাজনৈতিক এবং রাজ্য সরকারের উদ্যোগ রয়েছে। যুবদের জন্য রাজ্য সরকারের যেমন রয়েছে যুবস্রীসহ একগুচ্ছ প্রকল্প রয়েছে, তেমনি রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে তৃণমূল যুব কংগ্রেসের রয়েছে ‘বাংলার যুব শক্তি’ কার্যক্রম। অর্থাৎ ভারত বর্ষের সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস যুব শক্তি নিয়ে ভাবনায় এগিয়ে, সেই ভাবনার প্রতিফল রয়েছে আন্তর্জাতিক যুব দিবসের এবারের থিমে। তাই বাংলার যুব শক্তি যার মস্তিকপ্রসূত সেই যুব আইকন অভিষেক বন্দোপাধ্যায়কে বাংলা তথা ভারতবর্ষের যুব সমাজের পক্ষ থেকে কুর্ণিশ করি।
অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের নির্দেশনা মোতাবেক বীরভূম জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সুযোগ্য সভাপতি বিধান চন্দ্র মাঝি, মুর্শিদাবাদ তৃণমূল যুব কংগ্রেস সভাপতি ইমতিয়াজ কবীর, বর্ধমান রাসবিহারী হালদারসহ বাংলার প্রত্যেকটি জায়গায় যুব নেতারা বলিষ্ঠভূমিকা রেখে চলেছেন। ভারতবর্ষের এই যুব রত্নরা বাবরি নিয়ে রাজনীতি করে না, চাকরি নিয়ে রাজনীতি করে, এরা দাঙ্গা নিয়ে রাজনীতি করে না, এরা মানুষকে শান্তিতে চাঙা রাখতে রাজনীতি করে। মমতা বন্দোপাধ্যায়ের সৈনিকেরা জাতপাত নয়, ধর্ম নিয়ে নয়, ভাতের জন্য রাজনীতি করে, কর্মস্থানের জন্য রাজনীতি করে।
আগামীর ২১-এর লড়াইয়েও যুব সমাজ ঘাসফুলের দিয়ে শান্তির অক্সিজেন ছড়াবে বাংলার মানুষের এটাই বিশ্বাস।