প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানালেন ছাত্রদল নেতা সেলিম রেজা
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানালেন ছাত্রদল নেতা সেলিম রেজা প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ সম্প্রতি একটি অনলাইন গণমাধ্যমে প্রকাশিত “সরকারি তিতুমীর কলেজের এক শিক্ষার্থীকে তুলে নিয়ে মারধর ও…
জিল্লুর রহমান জয় : রাজশাহীসহ বিভিন্ন জায়গায় থেমে থেমে গুড়ি গুড়ি কখনো বা মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছে। সঙ্গে বয়ে চলেছে হালকা হালকা দমকা হাওয়া। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বেলা ১২ টা থেকে মুষলধারে বৃষ্টি শুরু হয়ে টানা পনে দুই ঘন্টা বৃষ্টি শেষ হয় । এতে করে প্রায় তিনসপ্তহেরও বেশি সময় ধরে রাজশাহীতে চলমান বৃষ্টি প্রভাব। এদিকে নগরীর উপশহর, বর্ণালী, শালবাগান, কাদিরগঞ্জ, সাহেব বাজার, আলুপট্টি, তালাইমারি, বিনোদপুর, কাটাখালি, নিউ মার্কেট, সুলতানাবাদ, নওদাপাড়া, হড়গ্রাম ও সাগরপাড়াসহ অনেক এলাকা বৃষ্টির পানিতে রাস্তা ডুবে যায়। রাস্তায় চলাচলের অসুবিধায় পরে মানুষ। বৃষ্টির প্রভাবে পদ্মার পানিও বৃদ্ধি পাচ্ছে। নগর পিতা (রাসিক) মেয়র এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, শহরের মানুষের সুবিধার্তে প্রতিটি ওয়ার্ডে ড্রেন পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যাতে করে ড্রেন বন্ধ হয়ে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি না হয়।
বৃষ্টিতে বেশি ক্ষতির মুখে পড়ছে খেটে খাওয়া মানুষ গুলো সাথে দোকান ব্যবসায়ীরা। উপশহরের সাবা এন্টারপ্রাইজের দোকান ব্যবসায়ী রফিক ইসলাম বলেন, করোনার কারণে দোকানে ব্যবসা তেমন ভালো না, তার মধ্যে পুরো মাস জুড়ে চলছে টানা বৃষ্টি। এতে করে কাস্টমার কম আসছে ব্যবসায় অবস্থা তেমন ভালো না।
গ্রামীন ফোন কসমিকা ডিস্টিবিউশন হাউজে কর্তব্যরত সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং এক্সিকিউটিভ শামীম হোসেন বলেন, বৃষ্টিতে ভিজে দোকান দোকানে গ্রামীন ফোনের প্রডাক্সগুলো পৌছে দিচ্ছেন। শামীম হোসেনের আরও বলেন, প্রতিদিন সকালে আমাদের অফিসের কাজের জন্য বাহিরে বের হতে হয়। রোদ বৃষ্টি উপেক্ষা করে আমাদের অফিসের কাজ করে যেতে হয় এটি আমাদের নিত্য প্রতিদিনের কাজ। তিনি আরও বলেন, এটি একটি সেবামূলক কাজ সে আন্দনের সহিত কাজটি করে থাকেন। এদিকে রিক্সা চালক মিন্টু মিয়ার বলেন, আমার বাসা কাকনহাট, আমি প্রতিদিন ভোরে উঠে ভাড়া রিক্সা চালানোর জন্য রাজশাহী শহরে আসি। করোনার কারণে আয় কম হওয়ার কারণে প্রতিদিন ৩৫০ টাকার বদলে ২৫০ টাকা করে রিক্সা মালিককে জমা দিতে হয়। করোনার কারণে বাহিরে কম বের হয় মানুষ তার মধ্যে এভাবে প্রতিদিন বৃষ্টি হতে থাকলে আমাদের জীবন যাপনে খুব কষ্ট হবে। এক দিকে করোনা অন্য দিকে বৃষ্টি আল্লাহ আমাদের উপর একটু রহমত দান করুন। এছাড়াও সবজি বিক্রেতা হেলাল উদ্দিন জানান, আমি ভ্যানে করে সবজি বিক্রি করে থাকি বাসার গলিতে গলিতে গিয়ে। এভাবে বৃষ্টি কারণে সবজি বিক্রি অনেকটা কমে গেছে।
স্বত্ব © নতুন সময় - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au