প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানালেন ছাত্রদল নেতা সেলিম রেজা
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানালেন ছাত্রদল নেতা সেলিম রেজা প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ সম্প্রতি একটি অনলাইন গণমাধ্যমে প্রকাশিত “সরকারি তিতুমীর কলেজের এক শিক্ষার্থীকে তুলে নিয়ে মারধর ও…
মেহেদী হাসান উজ্জ্বল,ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি: দেশের লিচু রাজ্য খ্যাত উত্তরের জেলা দিনাজপুর” মৌসুমের শুরুতেই দিনাজপুরের অন্যন্য উপজেলার মত ফুলবাড়ী উপজেলাতেও বাজারে উঠছে লাল টসটসে রসালো বিভিন্ন জাতের মিষ্টি লিচু। জমে উঠেছে বেচাকেনা। উপজেলার হাটবাজার গুলোতেও দেখা মিলেছে লাল টসটসে রসালো বাহারী জাতের লিচুর বেচা-কেনা। এজেলার মিষ্টি ও সুস্বাদু লিচু এলাকার চাহিদা মিটিয়ে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় নিয়ে যাচ্ছেন ব্যাবসায়ীরা। তবে করোনা পরিস্থিতির কারণে গত বছর লিচুর দাম অনেকটা কম থাকলেও, এবছর চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে এই লিচু। তাই নি¤œ আয়ের মানুষের নাগালের বাইরে। অতিরিক্ত খরা ও বৃষ্টিপাতের কারনে ফলন কম হওয়ায় দা বেশী বলে দাবী করছেন ব্যবসায়ীরা। সরেজমিনে ফুলবাড়ী পৌর শহরের নিমতলা মোড়, রেলঘুমটি, টিটির মোড়,কালিবাড়ী বাজার সহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, সারি সারি লিচুর পসরা সাজিয়ে বসে আছেন লিচুর খুচরা বিক্রেতারা।
ক্রেতারাও তাদের এই পছন্দের ফল কিনতে হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন। বর্তমানে বাজারে চায়না-৩, মাদ্রাজী, বেদেনা, বোম্বাই, লিচু বেচা কেনা চলছে। পর্যায় ক্রমে কাঠালি জাতের লিচু আসবে। মাদ্রাজী প্রতি শ’ একশটি বিক্রি হচ্ছে ২২০-২৪০ টাকা, বোম্বাই প্রতি শ’ ২৪০-২৮০ টাকা, বেদানা প্রতি শ’ ৫৫০-৭০০ টাকা,চয়না-৩এক হাজার থেকে ১২শ টাকায়। এদিকে পাইকার আর বেপারিরা উপজেলার বিভিন্ন বাগান থেকে লিচু সংগ্রহ করে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় নিয়ে যাচ্ছেন। কেউ কেউ আবার প্রিয়জনদের জন্য লিচু কিনে কোরিয়ারের মাধ্যমে তাদের গন্তব্যে পাঠাচ্ছেন। লিচু ব্যাবসায়ী সুজন,জাইদুল,মেহেদুলসহ অনেকে জানান,করোনার কারনে গত বছর চাহিদা কম থাকায় লিচুর দামও কমছিল এবার চাহিদার কারনে দামও বেশী। অতিরিক্ত খরা ও বৃষ্টিপাতের কারনে ফলন কম হওয়ায় বাগান থেকে বেশি দামে লিচু কিনতে হচ্ছে।
তাই বিক্রি করতে হচ্ছে বেশি দামে। লিচু কিতে আসা আসাদুজ্জামান জানান,এবছর লিচুর দাম অত্যন্ত বেশি,বছরের মৌসুমি ফল খেতেই হবে,তাই বোম্বাই জাতের একশ লিচু ২৫০ টাকা দরে কিনলাম। কথায় আছে আড়তে ঘি মঙ্গা। আমাদের এলাকা লিচুর রাজ্য হলেও আমাদেরও বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ রুম্মান আক্তার জানান,ফুলবাড়ী উপজেলায় মোট ৬৮ হেক্টর জমিতে লিচুর বাগান রয়েছে। প্রতি হেক্টরে সাড়ে ৪ দশমিক ৭১ মে:টন লিচু উৎপাদনের লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ্ উপজেলায় বিভিন্ন জাতের লিচু ব্যাপকহারে চাষাবাদ হয়েছে। এদিকে বাগান মালিক চাষিরা যেন ক্ষতিগ্রস্থ না হয়,এজন্য বাজার জাতকরণের বিষয়েও সবরকম খোজঁ খবর রাখা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
স্বত্ব © নতুন সময় - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au