প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানালেন ছাত্রদল নেতা সেলিম রেজা
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানালেন ছাত্রদল নেতা সেলিম রেজা প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ সম্প্রতি একটি অনলাইন গণমাধ্যমে প্রকাশিত “সরকারি তিতুমীর কলেজের এক শিক্ষার্থীকে তুলে নিয়ে মারধর ও…
ঢাকা: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল জাতীয় কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী কেন্দ্রীয় ফোরামের সদস্য , এবং জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের আজীবন স্থায়ী সদস্য, বর্তমান সময়োপযোগী সময়ের জাতীয়তাবাদের তরুণ প্রজন্মের আইডল, ব্যারিস্টার মীর হেলালের আজ ( ১২ আগস্ট বৃহস্পতিবার -) জন্মদিন।
মীর হেলালের পিতা হচ্ছেন বীর চট্টলার অন্যতম কৃতি সন্তান, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সাবেক সফল মন্ত্রী, চট্রগ্রামের কিংবদন্তী সাবেক মেয়র, সাবেক রাষ্ট্রদূত ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মীর নাসিরউদ্দিন ।
এত বড় একটি পরিবারের সন্তান হয়েও মীর হেলাল যেভাবে নিজ মেধায় ও নিজ গুনে গুণান্বিত এবং নিজ প্রজ্ঞায় আজ তাহাকে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের কাছে এক উদীয়মান আইডল হিসেবে স্থান করে নিতে সক্ষম হয়েছেন।
সেই সাথে বর্তমান সরকার আওয়ামী লীগের মিথ্যা বানোয়াট ও অহেতুক হিংস্র দানবের দ্বারা বার বার কারা নির্যাতনের স্বীকার হয়েছেন। তারি সাথে মিথ্যা মামলা হয়রানি আগ্রাসনের শিকার হয়ে আজ মীর হেলাল দেশান্তরি হয়ে প্রিয় মাতৃভূমি ও লক্ষ লক্ষ রাজনৈতিক সহযোদ্ধাদের আড়াল থেকে দেশান্তরি জীবন যাপন করতে হচ্ছে তাঁহাকে ।
আজকের এই জন্মদিন উপলক্ষে তাঁহাকে নিয়ে খুব বেশি কিছু লিখার বা বলার সামর্থ্য আমার নেই । তবে মীর হেলাল নিজ কর্মগুনেই আজ ব্যারিস্টার মীর হেলাল সমগ্র বাংলাদেশে তরুণ রাজনীতিবীদদের মধ্যে অন্য অন্যতম আইডল হিসেবে সবার অন্তরে মুকুট হীন সম্রাট খেতাব লাভ করতে সক্ষম হয়েছেন ।
তাঁর তুলনা সে নিজেই একজন আগামী দিনের বীর চট্টলার সুদীপ্ত রাজকুমার হয়ে আছেন। এমনিতে মীর হেলাল সম্পর্কে জানতাম তিনি হচ্ছেন ( সাবেক সফল মন্ত্রী ও মেয়র এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান -) মীর নাসিরউদ্দিনের ছেলে । মাঝে মধ্যে তাঁহার বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিষয়ে অনবগত ছিলাম। কিন্তু তাঁহার সাথে আমার তখনকার সময়ে পরিচয় বা সম্পর্ক ছিলনা ।
বিগত ২০১৪ সালের দিকে তাঁহার সাথে আমার সর্বপ্রথম সরাসরি দেখা সাক্ষাৎ হয় জাতীয় প্রেস ক্লাবের একটি অনুষ্ঠানে মধ্যে । সেই অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আমার পিতৃতুল্য ( বাবা -) ও আমার জীবন চলার পথে আলোক দৃশ্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সফল ভিসি, প্রখ্যাত রাষ্ট্রবিজ্ঞানী, প্রফেসর ডক্টর ইমেরিটাস এমাজউদ্দীন আহমদ স্যার আমাকে পরিচয় করিয়ে দিলেন তাঁহার সাথে ।
সেই থেকে সম্পর্ক ও যোগাযোগ এবং বিভিন্ন বিষয়ে কথাবার্তা আলোচনা চলতে থাকে আমাদের মধ্যে । আজ পর্যন্ত আমাদের চলমান-চিত্রে একে অপরের মধ্যে একটা ভাল সু- সম্পর্ক ও সার্বিক বিষয়ে আদান-প্রদান বিদ্যমান রয়েছে।
বাংলাদেশের ৫৬ হাজার বর্গমাইলে বিএনপির হাজারো নেতার নেতৃত্বে লক্ষ লক্ষ নেতাকর্মী রাজনীতি করেন যারা তারা সবাই বিএনপির চেয়ারপার্সন সাবেক তিন তিনবারের সফল রাষ্ট্রনায়ক, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে এই দেশের হারানো গনতন্ত্র পুনরুদ্ধার এর অভিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মী।
সেই ধারাবাহিকতায় মাধ্যমে আমাদের পথচলা শহীদ রাষ্ট্রপ্রতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রেরণা নিয়ে আমরা অগ্রসর হচ্ছি সেই পথচলায় আমাদের বিজয় সুনিশ্চিত। তারি সাথে বর্তমান সরকার আওয়ামী লীগের কবল থেকে দেশের মানুষ ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং দেশনায়ক তারেক রহমানকে বীরের মতো পুনরুদ্ধার করে নিয়ে আসবো ইনশাআল্লাহ ।
বিগত ১ যুগে বিরোধী দলের রাজনীতি করতে গিয়ে মীর হেলাল সহ দলের অসংখ্য নেতাকর্মী আওয়ামী হায়েনার কারনে আমরা বিভিন্ন ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। আওয়ামী হায়েনাদের অন্যতম প্রধান অস্ত্র মিথ্যা বানোয়াট ও উদ্ভট মামলা দিয়ে হয়রানী করা এবং আন্দোলন কে বাধাগ্রস্ত করে তাদের দুঃশাসন দীর্ঘায়িত করা।
সেই ধারাবাহিকতায় অতিসম্প্রতি তরুণ প্রজন্মের আইডল ব্যারিস্টার মীর হেলাল এর বিরুদ্ধে মিথ্যা বানোয়াট ও উদ্ভট মামলা দিয়ে আজ তাঁহাকে দেশছাড়া করছে এই আওয়ামী লীগ নব্য রাজাকার আলবদর বাহিনী । বাংলাদেশের আন্দোলন সংগ্রামের ইতিহাসের অন্যতম একটি সূতিকাগার হচ্ছে বীর চট্টগ্রাম। আর সেই চট্টলার সুদীপ্ত রাজকুমার ও জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সর্বস্তরের তৃণমূল নেতাকর্মী এবং নতুন প্রজন্মের আইডল হিসেবে অভিষিক্ত হয়েছেন বীরত্বের বীর মীর হেলাল ।
যুগে যুগে এই চট্টগ্রামে অনেক সিনিয়র বিএনপি নেতা বিএনপিকে নেতৃত্বে দিয়েছেন।
বর্তমানে ও নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন এর ব্যতিক্রম নয় । সবচেয়ে আনন্দের বিষয় হচ্ছে এই বীর চট্টলায় যে কজন বর্তমানে বিএনপির পতাকার তলে রাজনীতি করেন তাঁর মধ্যে অন্যতম হচ্ছেন বিএনপির সাংগঠনিক অভিভাবক বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেশনায়ক তারেক রহমান এর আস্তা ও বিশ্বাস, আন্দোলন সংগ্রামের তৃণমূল কর্মীদের প্রাণ, তরুণ প্রজন্মের আইডল ও নিবেদিত একজন দক্ষ সাংগঠনিক কর্মী হিসেবে ব্যারিস্টার মীর হেলাল অন্যতম।
চট্টগ্রামে সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের কাছ থেকে জানা যায় হেলালকে রাজনীতির মাঠে সক্রিয়ভাবে সুখে দুঃখে কাছে পেয়ে চট্টগ্রাম বিভাগের পাশাপাশি বাংলাদেশের আনাচে কানাচে হাজারো নেতাকর্মী আজ অনেক আনন্দিত ও উজ্জীবিত। এ ক্ষেত্রে একটা কথা স্বীকার করতেই হবে একজন রাজপথের কর্মীর একটা সাংগঠনিক পরিচয় এর জন্য একজন কর্মীর যে চেষ্টা তার চেয়ে বেশি চেষ্টা করে যাচ্ছে মীর হেলাল।
আজকের এই প্লাটফর্মটা আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জননন্দিত একজন জননেতা হিসেবে ব্যারিস্টার মীর হেলালের নেতৃত্বে আমাদের এই পথচলা অব্যাহত থাকবে এবং আমাদের রাজনৈতিক অগ্রযাত্রা দিনদিন আরও বেশি উন্নতি হবে। ইনশাআল্লাহ বিজয় আমাদেরই হবে এবং হারানো গনতন্ত্রকে আমরা ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হবো ।
স্বত্ব © নতুন সময় - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au