প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানালেন ছাত্রদল নেতা সেলিম রেজা
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানালেন ছাত্রদল নেতা সেলিম রেজা প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ সম্প্রতি একটি অনলাইন গণমাধ্যমে প্রকাশিত “সরকারি তিতুমীর কলেজের এক শিক্ষার্থীকে তুলে নিয়ে মারধর ও…
ঢাকা: বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয় অথবা উপসর্গ নিয়ে মৃত ব্যক্তিদের দাফন বা সৎকার নিয়ে নানা জটিলতা ও প্রতিবন্ধকতা দেখা যাচ্ছে। কিন্তু করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণকারীর মৃতদেহের সৎকার যেকোনো জায়গায় করা যাবে।
মুসলিম ধর্মাবলম্বীরা গোরস্থানে কিংবা পারিবারিক কবরস্থানে মৃতদেহ দাফন করতে পারবেন। অন্য ধর্মাবলম্বীরাও তাদের বিধি অনুযায়ী যেকোনো জায়গায় মৃতদেহের সৎকার করতে পারবেন।
করোনার সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে বুধবার (৩ জুন) দুপুরে সরকারের জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) নিয়মিত বুলেটিনে এতথ্য জানানো হয়।
বুলেটিনে সংযুক্ত হয়ে এ স্বাস্থ্য অধিদফতরের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক (অতিরিক্ত মহাপরিচালক প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা বলেন, ‘করোনায় মৃত ব্যক্তির দাফন, সৎকার বা ব্যবস্থাপনার নির্দেশনা স্বাস্থ্য সেবা অধিদফতরের (ডিজিএইচএস) ওয়েবসাইটে আছে। তবুও বিশেষভাবে সবার অবগতির জন্য বলতে চাই, মৃতদেহ নিজ নিজ ধর্মীয় বিধি অনুযায়ী সতর্কতা অবলম্বন করে দাফন বা সৎকার করা যায়।
তিনি জানান, নিয়ম অনুযায়ী মৃতদেহের সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে বডি ব্যাগ বা তা না পাওয়া গেলে পলিথিনে মুড়িয়ে স্থানান্তরের জন্য মনোনীত কবরস্থান বা পারিবারিকভাবে নির্ধারিত স্থানে দাফন করা যাবে। শুধু করোনায় মৃত হিসেবে আলাদা কোনো কবরস্থান নির্দিষ্ট করার দরকার নেই। পারিবারিক কবরস্থানেই এই মৃতদেহ দাফন করা যাবে এবং অন্য ধর্মের জন্য সৎকার করা যাবে।’
নাসিমা সুলতানা আরও বলেন, ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) বলেছে, এটা প্রমাণিত হয়নি মৃত ব্যক্তির কাছ থেকে অন্য ব্যক্তির দেহে করোনা ভাইরাস ছড়িয়েছে। মৃতদেহ সৎকার করতে ৩-৪ ঘণ্টা সময় লেগেই যায়। ৩ ঘণ্টা পরে এই ভাইরাসের আর কার্যকারিতা থাকে না মৃতদেহের শরীরে। সেজন্য মৃতদেহ থেকে ভাইরাস ছড়ানোর কোনো সম্ভাবনা নেই।’
স্বত্ব © নতুন সময় - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au