প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানালেন ছাত্রদল নেতা সেলিম রেজা
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানালেন ছাত্রদল নেতা সেলিম রেজা প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ সম্প্রতি একটি অনলাইন গণমাধ্যমে প্রকাশিত “সরকারি তিতুমীর কলেজের এক শিক্ষার্থীকে তুলে নিয়ে মারধর ও…
রুবেল মিয়া, মির্জাপুর( টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি : টাঙ্গাইল মির্জাপুরে গোড়াই ইউনিয়নের অতি পুরাতন নাম করা অন্যতম সরকারী গরুর হাট হচ্ছে দেওহাটার গরুর হাট। একদিকে দেশে মহামারী করোনা ভাইরাস ও প্রাকৃতিক দূর্যোগ বন্যা কে উপেক্ষা করেই চলছে দেওহাটা হাটে কুরবানি পশু ক্রয় বিক্রয়। কিন্তু কেউ মানছেন না সামাজিক দূরত্ব ও মূখে নেই অনেকেরই মাস্ক। তবে হাটটির আয়তন অনুয়ায়ী এবার গরু রাখার জায়গা নেই বললেই চলে কারণ বন্যার কারণে এবার হাটের নির্ধারিত স্থান পানিতে ডুবে গেছে। বাধ্য হয়েই বাজার ও রাস্তার ধারে এবারের ঈদের গরুর হাট বসাতে হয়েছে।
গত মঙ্গলবার সাপ্তাহিক হাট হওয়ায় গরু চাহিদা বেশ ছিল দাম ও বেশ চড়া এবং বিশেষ করে খাঁসির দাম তুলনা মূলক অনেক বেশী। ক্রেতা জনাব আব্দুল জলিল বলেন, বন্যার কারনে গরু রাখার প্রধান সমস্যা তাই খাঁসি ক্রয়ের জন্য আসছিলাম। কিন্তু যে খাঁসি গত বার ১২ হাজার ছিল তা এবার ২০ -২৫ হাজার টাকা দাম চাইছে ব্যবসায়ী তাই ক্রয় করতে পারছি না আবার অনেকে ক্রয়ও করছে তার স্বাধ্য অনুয়ায়ী।
আজ বৃহস্পতিবার ঈদের আর একদিন বাকী হওয়ায় খুব ভীর জমেছে দেওহাটার হাটে পা ফেলানোর জায়গা নেই এরকম অবস্থা। ব্যবসায়ীরা ট্রাকে করে ও বিভিন্ন জায়গায় রাস্তা ডুবে যাওয়ায় নৌকা যোগে হলেও গরু হাটে ওঠাচ্ছে। আজও বাজার অস্বাভাবিক তারপরও অনেক ক্রেতাই গরু ক্রয় করছে ঈদ বলে কথা। এবার ইন্ডিয়ার গরু কম থাকায় দেশী গরুর দিকে মানুষের নজর পরছে। আজ বাজার দর দেশী জাতের ষাঁড় ৬০ /৮৫ থেকে ১.৫ / ২ লাখ টাকায় বিক্রি হচ্ছে এবং খাঁসি বিক্রি হচ্ছে ১০ – ২৫ টাকায়।
# গরু বেপারী আব্দুল লতিব বলেন,, গরু রাখার জায়গা নেই বিপাকে পরেছি ও খাদ্য খাওয়ানো প্রধান সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই প্রত্যাশার চাইতেও গরু বিক্রি করতে পারছি না অনেক লসে বিক্রি করতে হচ্ছে ।
# গরুর হাট ইজারাদার মোঃ আব্দুল কদ্দুছ বলেন,, গতবারের চাইতে এবার অনেক লস হচ্ছে আমাদের বেপারীর ও ক্রেতার চাহিদা অনুয়ায়ী গরু রাখার জায়গা দিতে পারছি না।
# সরকারী হাটের সাধারন সম্পাদক,(জামান মেম্বার) বলেন,, এবারের হাটের অবস্থা করুন গত বছর গুলোতে আমরা ৪০-৫০টি হাট করার অনুমতি পায়। কিন্তু এবার করোনা এবং বন্যার কারনে আমরা ১০-১২টি হাটের অনুমতি পেয়েছি। আজ অনেকটা ভীর হয়েছে কিন্তু এ কয়দিন তেমন কোন লোকের ভীর ছিল না। ২০২০ এর বন্যা আমাদের অধিকাংশ জায়গায়ই পানির নিচে ডুবে আছে তাই বাজার ও ইচ্ছা না থাকা সত্যেও রাস্তার ধারে গরু রাখতে বাধ্য হয়েছি। এর কারণে যানবাহন চলাচলে কিছুটা ব্যাঘাট ঘটছে। শুধু গ্রামের ও পার্শবর্তী এলাকার জন্য হাট ডাকছি, এবার হাট ডাক হয়েছে প্রায় ২৩,৫০,০০০ টাকায় কিন্তু করোনা এবং বন্যার কারনে লসের মূখে আছি। আমি সরকারের সু- দৃষ্টি কামনা করছি।
স্বত্ব © নতুন সময় - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au