ফারাক্কার ১০৯ গেট খুলল ভারত, বন্যাঝুঁকিতে বাংলাদেশের যেসব জেলা
ঢাকা: ভারতের বিহার ও ঝাড়খণ্ডে বন্যার জেরে ফারাক্কা ব্যারেজের ১০৯টি গেট খুলে দিয়েছে ভারত। সোমবার (২৬ আগস্ট) গেট খুলে দেয়া হয়। এতে একদিনে বাংলাদেশে ঢুকবে…
বর্ধমান প্রতিনিধি, ভারত : মানবিক ব্যবহার এবং সুষ্ঠু চিন্তার রাজনীতি শেখার জন্য নিজ দলের নেতাদের থেকে ৬ মাসের প্রশিক্ষণ নেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী মোদিসহ ভারতীয় জনতা পার্টির নেতাকর্মীদের আমন্ত্রণ জানালেন সর্বভারতীয় তৃণমূল কগ্রেস কর্মী শিল্পী মুরারই।
শনিবার (১১জুলাই) বিকেলে ফেসবুক লাইভে তিনি তার পক্ষ থেকে এই আমন্ত্রণ জানান।
লাইভের শুরুতে বিজেপির এক সমর্থক ফেসবুক কমেন্ট নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে শিল্পী বলেন, মহুয়া মৈত্র ফ্যানক্লাবে আমি একটা পোস্ট করেছি। সেখানে বিজেপির একজন সমর্থক আমার মাকে পর্যন্ত গাল দিয়েছে।
শিল্পী বলেন, শ্রদ্বেয় বিনয় ঘোষের হাত ধরে বীরভূমের মুরারই থেকে আমার রাজনীতির শুরু । আমার রাজনৈতিক গুরু অনুব্রত মণ্ডলের পদধূলি নিয়ে আমার রাজনীতির শুরুটা ছিল। কাজল সেখকে আজ পর্যন্ত আমি চোখে দেখিনি কিন্তু আমার প্রতি তার অগাধ সম্মান। আজকে যে ছোট ছোট ছেলে মেয়ে গুলো মা-বাবাকে অসম্মান করছে গালিগালাজ করছে । তাদেরকে বলছি কাজল সেখকে দেখে একবার কথা বলে আয়।অনুব্রত মন্ডলের কাছে গিয়ে দেখে আয় ভালোবাসা কাকে বলে। ভালোবাসার পাওয়ার হাউজ তৈরি আছে। আজও কেষ্ট মন্ডল সবাইকে বলেছেন, আমরা যদি ভুল করে থাকি আমাদের ক্ষমা করে দিন। আমাদের কোন লোকজন ভুল করে থাকলে ক্ষমা করে দিন। ওনার কাছ থেকে শিক্ষাটা জীবনে কোনদিন ভুলবো না।
শিল্পী বলেন, ২০১১-১৩ সময়টা ভীষণ কঠিন ছিল আমার। আব্দুর রহমান সাহেবের ইলেকশনে কাশিমনগর রাস্তায় রাস্তার লোকদের কাছে ভাত খেয়ে কাজ করেছি। তাদের ভালোবাসা শ্রদ্ধা সম্মান পেয়েছি।
আমার জীবনে দেখা শ্রেষ্ঠ নেত্রী মমতা ব্যানার্জি উল্লেখ করে শিল্পী বলেন, মোদিজী আপনি আপনার দলের নেতারা পশ্চিমবঙ্গের দিলিপ ঘোষসহ যারা আছেন তারা তৃণমূল নেতাদের থেকে ৬ মাসের প্রশিক্ষণ নিয়ে যান কিভাবে ভালোবেসে রাজনীতি করতে হয়। সুষ্ঠু চিন্তার রাজনীতি করতে হয়। নইলে বিকাশ দুবের মত আপনার গাড়িও উল্টে যাবে। আপনার বন্ধু ট্রাম্প বাঙ্কারে লুকিয়েছিলো আর আপনি লুকাচ্ছেন সুড়ঙ্গ দিয়ে। ২০২১ একদম বিদায় হবেন। বীরভূমে অনুব্রত মন্ডল আমার গুরু আছে, রান সিং, বিকাশ সিং নানুরে কাজল সেখ আছে, ফিরহাদ হাকি ববি,সুব্রত বক্সী, চন্দ্রনাথ সিনহা, আশীষ ব্যানার্জি, শতাব্দী রায়, অভিষেক ব্যানার্জী, শুভেন্দু অধিকারী, অসিত মাল, আবু তাহের খান সাহেব কে অনেক নেতা মন্ত্রীদেরকে দেখেছি। আজ পর্যন্ত তৃণমূলের কোন নেতাকে খারাপ বিহেভ করতে দেখিনি। কিন্তু গেরুয়া শিবিরের ছোট ছোট ছেলেদের কে দেখছি যারা আমার ছেলের বয়সী, ছেলের চেয়ে সামান্য একটু বড়, ছোট ভাইয়ের বয়সী তারা আমাকে আমার মাকে গালি দিচ্ছে। এটা কি রাজনীতি?
শিল্পী বলেন, কী শিক্ষা পেয়েছিস ভাই তোরা? জীবনে কোন কিছু কারো সঙ্গে কত যাবেনা, আমারও যাবেনা। ব্যবহারটা কিন্তু ছেড়ে যাবে না। যারা গাল দিয়েছিস তোদের প্রতি আমার প্রচন্ড স্নেহ ভালোবাসা রইলো। তোদের শিখতে অনেক বাকি আছে। শেখার জন্য ছোট বড় কোন কিছু লাগেনা।অনেক সময় আমি ভুল করলে আমার ছেলে আমার ভুল ধরিয়ে দেয়।
মমতা ব্যানার্জি থাকতে বাংলার কেউ ক্ষতি করতে পারবে না আশাবাদ ব্যক্ত করে ২০২১ লড়াইয়ের জন্য সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান তৃণমূল কংগ্রেসের এই কর্মী।
তিনি বলেন, আমার বিগিনিংটা তৃণমূল কংগ্রেস দিয়ে শুরু হয়েছে। এন্ডিংটাও তৃণমূল দিয়ে করতে চাই।
শিল্পী বলেন, আমি তৃণমূল কংগ্রেস কতটুকু যোগ্য তা জানিনা তবে আমি তৃণমূলে থেকে গর্ববোধ করি।
স্বত্ব © নতুন সময় - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au