শিল্পী মুরারই, তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী
রবিবার গুরু পূর্ণিমা। শনিবার রাত থেকেই পড়ে গিয়েছে পূর্ণিমা। চলবে আজ রবিবার পর্যন্ত। এই পুণ্যতিথিতে নিজেদের শিক্ষাগুরু এবং দীক্ষাগুরুর প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। আজকের দিনটা গুরুর কাছে প্রার্থনার দিন। নতমস্তকে তাঁদের শুভেচ্ছা জানানোর দিন।
আমি আমার গুরু তথা বাংলার বীর বীরভূমের রাজনীতির বটবৃক্ষ অনুব্রত মন্ডল তথা আমাদের সকলের শ্রদ্ধার কেস্ট দাদার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে গুরু পূর্ণিমার পুণ্যতিথিতে আমার গুরু ও শিক্ষককে জানাই সশ্রদ্ধ প্রণাম। বছরের প্রতিটা দিন নিজের গুরু ও শিক্ষককে শ্রদ্ধা-সম্মান জানাতে চাই। আমার জীবনকে আলোকিত করার জন্য প্রণাম নেবেন। আপনার আশীর্বাদ এবং শিক্ষার আলোয় জীবনের সব অন্ধকার চলে গিয়েছে। জীবনের প্রতিটি পর্ব-ধাপে আপনি আমার অনুপ্রেরণা, প্রতিটি ক্ষেত্রে আমায় পথ দেখিয়েছেন। জীবনে গুরুর স্থান সকলের উপরে। গুরুই আমাদের পরম জ্ঞান দান করেন। জীবনের প্রথম শিক্ষক বাবা-মা। শুভ গুরু পূর্ণিমার এই পুণ্যতিথিতে তাই বাবা-মা’কেই প্রথম শুভেচ্ছা জানাই।
আমার প্রাণ প্রিয় শ্রদ্বেয় গুরু অনুব্রত মন্ডল প্রিয় কেষ্ট দা আগামী অন্তত ১০০বছর প্রতি বছরের এই দিনে এই লেখা লিখতে চাই।
প্রথমেই এই ক্ষুদ্র অতি সামান্য ভক্তের পক্ষ থেকে স্ব-শ্রদ্ধ ভালোবাসা গ্রহণ করিও।
আজকের দিনটা তোমার গুরু ভক্তদের জন্য এবং যারা তোমাকে অন্তর থেকে ভালোবাসে তাদের জন্য এক বিশেষ দিন । তাই , এই দিনটাকেই শুধু তোমাকে শুভেচ্ছা জানানো না , বরং তোমার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের দিন হিসেবেও বেঁছে নিলাম।
তোমার প্রতি কৃতজ্ঞ সেই সব লোক যাদের অন্ধকারে আলো জ্বালাতে বীরোচিত ভূমিকা রেখেছো। বিশ্বের বৃহৎ উদার গণতন্ত্রের চারণভূমি ভারতবর্ষের বাংলার বীর গুরু প্রিয় কেষ্ট দা তোমার রাজনীতিটা আমার জীবনের এক অতি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।
আমি দ্যার্থ কণ্ঠে স্বীকার করি , তোমার মতো একজন নেতা তৈরির গুনী কারিগরকে যদি জানতে না পারতাম তাহলে আজকে আমার এ লেখার ক্ষমতা তৈরি হতো না। লেখা তো অনেক দূরের ব্যাপার আমি তো রাজনীতির কথাই চিন্তা করতাম না। তুমি শুধু আমার না বীরভূম তথা বাংলা তথা গোটা ভারতবর্ষ এমনকি বর্হিবিশ্বেও যেসব গণতান্ত্রিক মানবতাবাদী রাজনীতিপ্রেমি মানুষ রয়েছে আমি বিশ্বাস করি কেষ্ট দা তুমি প্রত্যেকের রাজনীতি শিখার জন্য আদর্শ বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্বের যে সব প্রান্তে মানুষ ভোগান্তিতে রয়েছে তাদের রাজনীতি নিয়ে শাসন ব্যবস্থা নিয়ে সংঙ্কটে ভুগছে তারা যদি তোমার আদর্শ গ্রহণ করে তাহলে কেষ্ট দা তোমার থেকে অনেক কিছু শিখতে পারে। ওদের সভ্য আধুনিক করার জন্য কেষ্ট দা তুমি হতে পারো আদর্শ শিক্ষক। কেষ্ট দাকে নিয়ে প্রশংসা করার মতো পর্যাপ্ত ভাষা আমার জানা নেই। তার সাথে তোমার মহাপ্যাচের রাজনীতির সরল সমীকরণ ও তোমাকে বিশ্লেষণ করার মতো যোগ্যতাও আমার নেই। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে তোমার সংগ্রামী জীবনের পদক্ষেপ গুলা একটু পর্যবেক্ষন করে যা অনুধাবন করলাম , তাতে একটা কথাই বলতে হয় .. তা হচ্ছে ‘ইউ আর এ বর্ন লায়ন’। তুমি প্রজা হইতে শেখো নাই ……. তুমি জন্মসূত্রেই একজন সম্রাট।
তোমার আপন বিচক্ষণতা , সৃজনশীলতা, বুদ্ধিদীপ্ত পথচলা এবং আপনার যৌক্তিক গাম্ভীর্য মিলিয়ে অনন্য উচ্চতায় তোমার নেতৃত্ব ব্যক্তিত্ব।
দাদা আমি মনে প্রাণে ভীষণভাবে বিশ্বাস করি তুমি একজন রাজনীতিবীদ না হয়ে যে ক্ষেত্রেই থাকতে না কেন তুমি হতে সেই অঙ্গনের উজ্জ্বল নক্ষত্র।
দাদা কেউ কেউ বিভ্রান্ত হয়ে উদভ্রান্ত মস্কিস্কে তোমার সমালোচনা করে, তারা কিন্তু এটা ভেতরে ভেতরে ঠিকই জানে রাজনীতিতে তুমিই গুরু। তোমার রাজনীতি উপভোগ করা যায় , তোমাকে অনুকরণ করা যায় কিন্তু তুমি হওয়া সম্ভব না। অনুব্রত মন্ডল কেস্ট দা এরা একবারই জন্মায়..দ্বিতীয় বলে কিছু নেই…এ দুনিয়াতে …. এরা দুনিয়া তে একজন ই আসে। তোমার মতো হওয়ার বৃথা চেষ্টাও করিনা গুরু। আমি আরও অনুপ্রাণিত হই তোমার সকলকে আগলে রাখা দেখে।
চেষ্টা করি তোমার শ্রেষ্ঠ শিস্য হওয়ার ….কোনো স্বার্থ খুঁজি না। ভালোবেসেই শুরু করসিলাম তোমার রাজনীতি দিয়ে। ভালোবেসে কিছু করলে গুরু রিটার্ণ যা হয় তা স্বার্থের অনেক উর্ধের। যখন বিপদগ্রস্থ কোনো মানুষ নক করে আস্থা নিয়ে ভরসা নিয়ে তোমার রাজনীতি শেখার জন্য তখন ঐটার অনুভূতি ভাষায় বুঝানো সম্ভব না .
গুরু ..তোমার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের জন্য ভালোবাসা জানানোর চেয়ে বেশি কিছু করার সামর্থ আমার নাই …
তবে যদি কখনো এমন হয় যে কোনো ঘর বা কোনো শহরে শুধু আমি আর তুমি , একজনকে পৃথিবী থেকে বিদায় নিতে হবে তবে স্বেচ্ছায় স্বপ্রণোদিতভাবে আমার প্রাণ গুরুর চরণে উৎস্বর্গ করবো। কেষ্ট দা তোমার চরণে আমার প্রাণ উৎস্বর্গ করতে কোনো দ্বিধা নেই আমার, কখণো ছিলোও না।
কারণ দুই একটা শিল্পী না থাকলে কিছু আসবে যাবে না। কিন্তু তুমি না থাকলে গুরু, বাংলা তার বীর হারাবে। আমাবশ্যা লেগে যাবে। গুরু বাংলা শান্তিপূর্ণ রাখতে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের বিশ্বস্ত ধারালো হাতিয়ার হিসেবে তোমার বিকল্প কেউ নেই।
জয় হিন্দ, জয় বাংলা, মমতা বন্দোপাধ্যায় জিন্দবাদ