প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানালেন ছাত্রদল নেতা সেলিম রেজা
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানালেন ছাত্রদল নেতা সেলিম রেজা প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ সম্প্রতি একটি অনলাইন গণমাধ্যমে প্রকাশিত “সরকারি তিতুমীর কলেজের এক শিক্ষার্থীকে তুলে নিয়ে মারধর ও…
জিয়াউল,শাওন (রাজশাহী ব্যুরো): কৃষ্ণপুর, মোহর-লছিরামপুর, আমশোমেডিকেল সংযোক সড়ক। ৫ কি.মি রাস্তার মধ্যে ৩. কি.মি পাকা। কাঁচা শুধু ২ কি.মি। এটা আমাদের এলাকার অন্যতম প্রধান রাস্তা কারন এটা দিয়ে অনেক কম সময়ে আমশো-মেডিকেলে যাওয়া যায়।কিন্তু বৃষ্টি হলে সাইকেল তো দুরের কথা,এই রাস্তা দিয়ে পায়ে হেটে কোথাও যাওয়া যায় না।
ভোটের সময় এমপি অালহাজ উমর ফারুক চৌধুরী নিজে গ্রামে এসে সকল গ্রামবাসীকে কথা দিয়ে যায়, সরকার কর্তৃপক্ষ রাস্তার বাজেট না দিলেও আমি নিজে রাস্তা করে দিবো, তবে অামি ভোট চাই। অামরা সকলে তাকে নির্বাচনে পাশ করিয়েছি। তিনি অত্র এলাকার সফল এমপি হওয়া সত্তেও অামাদের রাস্তা এখনো পাকা করে দেয় নি।
আজ থেকে ২৫ বছর আছে লছিরামপুর গ্রামে আগুনে পুড়ে একই বাড়িতে ৫ জনের মৃত্যু ও ১১ জন আহত হয়েছিল, সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তানোর থানায় প্রথম ফায়ার সার্ভিস অফিস প্রতিষ্ঠান করা হয়, তার পরও আজ ২৫ বছর পরেও যদি এই গ্রামে আগুন লাগে, তাহলে রাস্তার জন্য ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি আসতে পারে না,এমনকি বৃষ্টি হলে কোনো রোগীকে গাড়ি তো দুরের কথা পায়ে হেটে নিয়ে যাওয়া যায় না,রাস্তাতেই অনেকের মৃত্যু হয়। আরো দুঃখজনক বিষয় হলো রাস্তার জন্য গ্রামের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের স্কুলে অাসতে অনেক কষ্ট হয়। রাস্তার জন্য এই স্কুলে শিক্ষার্থী অনেক কম।
তানোর উপজেলার অনেক রাস্তায় খুব কম সংখ্যক লোক চলা ফেরা করে, সেই রাস্তাগুলা পাকা করা হয়েছে, আর এই রাস্তাটি তানোর আমশো মেডিকেলে যাওয়ার অন্যতম প্রধান রাস্তা, এই রাস্তা দিয়ে কম সময়ে হাসপাতালে যাওয়া যায়,তাছাড়াও ফসল কেটে ট্রাকে করে শহরে নিয়ে যাওয়ার অন্যতম প্রধান রাস্তা হওয়া সত্তেও এখনো পাকা রাস্তায় বাস্তবায়ন হয় নি,এটা খুবই দুঃখজনক।
বর্ষার সময়, রাস্তার জন্য এই গ্রামের কৃষক ধান কেটে বিক্রি করার জন্য মাত্র হাফ কি. মি. রাস্তা গুরুর গাড়িতে করে নিয়ে যেতে ১০০ টাকা প্রতি বস্তা দেয়া লাগে, যা অন্য ভাড়া থাকে ২০ টাকা এটা কৃষকের জন্য অনেক ব্যয়বহুল।
লছিরামপুুর গ্রামের কোনো মানুষ যদি খুব অসুস্থ হয়ে পরে তাহলে গ্রামের বাইরে বের হওয়া যায় না,খাটিয়াতে করে মেডিকেল নিয়ে যেতে হয়।
আশা করি সকলে আমাদের গ্রামের মানুষের এই কষ্ট টা বুঝতে পারছেন।অামি লছিরামপুর গ্রামবাসীর সকলের হয়ে সরকার, এমপি মহাদয়,উপজেলা চেয়ারম্যান, চেয়ারম্যান এবং মেম্বার সকলের কাছে আকুল আবেদন করছি আমাদের সরল মন টাকে নিয়ে আর খেলবেন না, এই রাস্তাটা পাকা করার ব্যবস্থা করে দেন অতি শিঘ্রই, এতে আপনাদের জনপ্রিয়তা আরো সুনাম বৃদ্ধি হবে।
নতুন সময়/টিআই
স্বত্ব © নতুন সময় - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au