প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানালেন ছাত্রদল নেতা সেলিম রেজা
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানালেন ছাত্রদল নেতা সেলিম রেজা প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ সম্প্রতি একটি অনলাইন গণমাধ্যমে প্রকাশিত “সরকারি তিতুমীর কলেজের এক শিক্ষার্থীকে তুলে নিয়ে মারধর ও…
কেরানীগঞ্জ প্রতিনিধি, মোঃএরশাদ হোসেন: কেরানীগঞ্জের বুড়িগঙ্গায় লঞ্চ ডুবির ঘটনার মর্নিং বার্ড উদ্ধারে আসা প্রত্যয় পোস্তাগোলা ১ম ব্রীজে নিচ দিয়ে যাবার সময় উপরের অংশে স্বজোরে ধাক্কা লেগে ব্রীজের পিসি গার্ডার সরে গিয়ে রডবের হয়ে যায়।
উদ্ধারকারী প্রত্যয়ের মাথার অংশ ডুকে বেজে আছে। এমন খবর চারদিকে ছড়িয়ে পড়লে সড়ক ও জনপথ পরিবহন কর্তৃপক্ষ সড়ক মন্ত্রনালয়কে জানালে সন্ধ্যার পর ব্রিজে সকল ধরনের যানচলাচল বন্ধকরা হয়। পরে ঢাকা জোন ,অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মোঃ সবুজ উদ্দিন খানকে প্রধান করে ৭ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটির করা হয়।
৭ সদস্য তদন্ত কমিটি ও ব্রীজ বিশেজ্ঞ দল আজ সকাল সাড়ে ৯ টায় ব্রীজ পরিদর্শন করেন। বাকি সদস্যরা হলোঃ-এ কে এম নূরে আলম- সুপারেটেডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার (নারায়নগঞ্জ সার্কেল সড়ক ও জনপথ) ,রওশন আরা বেগম-ব্রীজ ডিজাইন ম্যানেজমেন্ট ও (সুপারেটেডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার) সড়ক ভবন,শিশির কুমার রায় –ব্রীজ ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ার ও তত্তাবদায়ক ,নাজমুল হক -সড়ক ব্রীজ ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ার,নির্বাহী প্রকৌশরী খন্দকার গোলাম মোস্তফা-মুন্সিগঞ্জ সড়ক ও জনপথ,আব্দুল মোমেন উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী কেরানীগঞ্জ সড়ক ও জনপথ।
পরে তারা চলে গিয়ে সিদ্ধান্তদেন ব্রীজ ইনজুরি জায়গায় বেড়িগেট দিয়ে রাখা হবে। বাকি লেনে গাড়ি চলবে। পরে সিদ্ধান্ত হয় বিকাল ৫টায় বেড়িগেট খুলে দেয়া হবে এসিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত করেছেন উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আব্দুল মোমেন (কেরানীগঞ্জ সড়ক ও জনপথ ,ঢাকা)।
ব্রীজ বন্ধ হওয়ার কারনে হাজার হাজার অফিসগমী , গার্মেন্টস শ্রমিকরা ও সাধারন মানুষের ধুর্ভোগের অন্তনেই। ব্রীজে দুপাশে মানুষ সারি দিয়ে যাওয়ার চিত্র দেখা গেছে ।
অলৌাকিক ভাবে ১৩ ঘন্টা পর একজন জীবিত, মর্নিবার্ড ডুবির ঘটনায় ৩৩ জনের লাশ উদ্ধার মর্নিবার্ড ডুবির ১৩ ঘন্টা পর একজন অলৌাকিক ভাবে জীবিত উদ্ধার করে ডুবুরি ওফায়ার সার্ভিস তাকে মিটফোর্ড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে তিনি এখন সুস্থ্য রয়েছেন বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
আজ বেলা ১২টায় চরমিরেরবাগ এলাকায় ১জনের অজ্ঞাত লাশ ভেসে উঠে পরে নৌপুলিশ লাশ টিকে উদ্ধার করে মিটফোর্ড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।তার পরিচয় এখনো সনাক্ত হয়নি। তবে নৌপুলিশ নিশ্চিত যে এটাও ডুবে যাওয়া লঞ্চের যাত্রী। এনিয়ে ৩৩ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
এদিকে নৌ- পুলিশের এসআই শামসুল আলম বাদি হয়ে অবহেলাজনিতমৃত্যু ঘটানোর অভিযোগে ময়ূর-২ লঞ্চের মালিক মোসাদ্দেক হামিদ ফুয়াদ ,মাস্টার আবুল বাসার, জাকির হোসেন,স্টাফ শিপন হাওলাদা, শাকিল হোসেন,হৃদয়,চুকানি নাসির মৃধা ৭জনসহ আরো ৫/৬জনকে অজ্ঞাত আসামী করে ময়ূর-২ লঞ্চের নামে ২৮০,৩৯৪(ক),৩৩৭,১৩৪ দ:বি:তাং ৩০ ০৬ ২০২০ মামলা করেছেন।
নতুন সময়/টিআই
স্বত্ব © নতুন সময় - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au