প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানালেন ছাত্রদল নেতা সেলিম রেজা
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানালেন ছাত্রদল নেতা সেলিম রেজা প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ সম্প্রতি একটি অনলাইন গণমাধ্যমে প্রকাশিত “সরকারি তিতুমীর কলেজের এক শিক্ষার্থীকে তুলে নিয়ে মারধর ও…
নিজস্ব প্রতিবেদক : সংবাদ সম্মেলন করতে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে তড়িঘড়ি করে সংবাদ সম্মেলন করে স্থান ত্যাগ করেছেন মিরপুরের পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী শাহাদাতের সহযোগী আসিফ আলী। গত ৮ জুন সংসদ সদস্য আগা খাঁন মিন্টুর কার্যালয় ভাংচুরের ঘটনার বিষয়ে রোববার বেলা ১১ টায় ক্র্যাব কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে আসিফ ও তার কয়েক সহযোগী।
জানা যায়, সংসদ সদস্য আগা খাঁন মিন্টু ও তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই পলাতক অবস্থায় আসিফ আলী ফেসবুকে নানা ধরনের অশালিন স্ট্যাটাস দিয়ে আসছিলেন। গত ৮ জুন রাতে সংসদ সদস্যের কার্যালয়ের সামনে তিনিসহ তার সহযোগীরা আসেন। এ সময় তারা কার্যালয়ের ভেতরে ঢুকতে চাইলে অফিসের স্টাফরা তাকে বাধা দেয়। এ সময় স্টাফরা প্রয়োজনে সংসদ সদস্যকে ফোন করার জন্য বলে। এ সময় সে ক্ষিপ্ত হয় স্টাফদের গালিগালাজ ও মারধর করা শুরু করে। এক পর্যায়ে স্টাফরাও তার সাথে মারামারিতে লিপ্ত হয়। এ ঘটনায় থানায় দারুস সালাম থানায় একটি মামলা দায়ের হয়।
এদিকে ওই ঘটনা নিয়ে তিনি সংবাদ সম্মেলন করতে আসেন। এ সময় তিনি অভিযোগ করেন সংসদ সদস্যের ভাগিনা কবির চৌধুরী মুকুল পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী সুইডেন আসলাম থেকে শুরু করে বিকাশ, প্রকাশ এমনকি কালা জাহাঙ্গীরের সহযোগী হিসেবে উল্লেখ করে তার ওপর হামলার অভিযোগ করে।
এরপর সাংবাদিকরা এ সকল সন্ত্রাসীদের সহযোগী হিসেবে তার নিকট কোন তথ্য প্রমান রয়েছে এমন প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, এ সকলের কোন প্রমান তার নিকট নাই। এছাড়াও কেন তিনি তার দলবল নিয়ে সংসদ সদস্যের কার্যালয়ে গিয়েছিলেন এমন প্রশ্নেরও কোন সুদত্তোর দিতে পারেননি। ফেসবুকের তার মন্তব্যগুলো তার সামনে উপস্থাপন করা হলে তিনি সেগুলো তার বলে স্বীকার করেন। কেন এ সকল মন্তব্য করেছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগকে ভালোবাসি বলে দিয়েছি।
এদিকে শীর্ষ সন্ত্রাসী শাহাদাতের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক ও তার স্ত্রী শাহাদাতের সঙ্গে চলে যাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, শাহাদাতের সঙ্গে তার এক সময় সম্পর্ক ছিলো। তার স্ত্রী তার সঙ্গে চলে যাওয়ার বিষয়টিও তিনি স্বীকার করেন।
এছাড়াও জানা যায়, শীর্ষ সন্ত্রাসী শাহাদাতকে ধরিয়ে দিতে পারলে সরকার পুরস্কার ঘোষণা করলে আসিফ আলী তাকে সীমান্ত পার করিয়ে দিয়ে আসে।
তবে এ বিষয়ে তাকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি কোন উত্তর দেননি। তার বিরুদ্ধে থানায় মামলার কথা বললে তিনি আর কোন প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে তড়িঘড়ি করে সংবাদ সম্মেলন শেষ করে ক্র্যাব কার্যালয় ত্যাগ করে চলে যান।
অন্যদিকে এরপরপরই খোঁজ পেয়ে গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তারা আসলে তাকে আর পায়নি।
এ বিষয়ে দারুস সালাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন, আসিফের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। তাকে আমরা গ্রেফতারের চেষ্টা চালাচ্ছি।
স্বত্ব © নতুন সময় - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au