প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানালেন ছাত্রদল নেতা সেলিম রেজা
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানালেন ছাত্রদল নেতা সেলিম রেজা প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ সম্প্রতি একটি অনলাইন গণমাধ্যমে প্রকাশিত “সরকারি তিতুমীর কলেজের এক শিক্ষার্থীকে তুলে নিয়ে মারধর ও…
অনুপম দে,বাঘারপাড়া(যশোর): যশোর বাঘারপাড়ায় বুধবার নতুন কর আরো চারজন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। তারা নিজ নিজ বাড়িতে আইসোলেশন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ নিয়ে বাঘারপাড়ায় করানায় আক্রান্ত হলেন মোট ৯জন। বুধবার সকালে হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার(আরএমও)ডা. কৌশিক আশরাফ সাংবাদিকদের এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নতুন করে আক্রান্তরা হলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপ-সহকারি কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার,হাসপাতালে ইন্টার্নিরত এক যুবক ,বাসুয়াড়ি ইউনিয়নের মাহমুদপুর এলাকার এক কৃষক ও একই ইউনিয়নের দক্ষিণ শ্রীরামপুর এলাকার আরেক কৃষক।
এর মধ্যে করোনা আক্রান্ত মেডিকেল অফিসার কুষ্টিয়া সদরের কাঠিমারা এলাকার বাসিন্দা । তিনি উপজেলার দোহাকুলা এলাকায় বাসাভাড়া নিয়ে থাকেন।অপরজন হাসপাতালে ইন্টার্নিরত যুবক। দোহাকুলা ইউনিয়নের নওয়াপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।
গত ২১ জুন মাহমুদপুর এলাকার আক্রান্ত কৃষক জ্বর ও ডায়রিয়ার কারনে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসে।কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ড ভর্তি রেখেই চিকিৎসা দিছিলেন। পর তার শারীরিক অবস্থা উন্নতি না হলে হাসপাতালের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারন্টাইনে রেখে চিকিৎসা দেয়। অপরজন দক্ষিণ শ্রীরামপুরর বাসিদা। জ্বর-কাশি-সর্দিতে আক্রান্ত হয়। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে আসলে (২২জুন) তাদের নমুনা সংগ্রহের পর সিভিল সার্জনের মাধ্যম যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষাগারে পাঠনো হয়। বুধবার তাদের রিপোর্ট আসে করোনা পজিটিভ।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. কৌশিক আশরাফ সাংবাদিকদের বলেন, ‘সম্প্রতি করোনায় আক্রান্ত আগের কমিউনিটি মেডিকল অফিসারের সংস্পর্শে হাসপাতালের ওই দুই স্টার্ফ আক্রান্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে । আক্রান্ত হওয়া তিনজনকে হাসপাতালের আইসোলেশানে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। শ্রীরামপুরের কৃষককে তার নিজ বাড়িতে চিকিৎসা দেওয়া হবে।এ নিয়ে বাঘারপাড়ায় করানায় আক্রান্ত হলেন মোট নয় জন। ইতিমধ্যে তিন জন চিকিৎসা নিয় সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবন ফিরেছেন। বাকিরা ছয়জন হোম আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আক্রান্ত ওই দুই কৃষকের বাড়ি পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানিয়া আফরোজ, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শরিফুল ইসলাম প্রমুখ। এসময় তাদের বাড়িসহ আশেপাশের বেশ কয়েকটি বাড়ি লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে।
নতুন সময়/টিআই
স্বত্ব © নতুন সময় - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au