প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানালেন ছাত্রদল নেতা সেলিম রেজা
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানালেন ছাত্রদল নেতা সেলিম রেজা প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ সম্প্রতি একটি অনলাইন গণমাধ্যমে প্রকাশিত “সরকারি তিতুমীর কলেজের এক শিক্ষার্থীকে তুলে নিয়ে মারধর ও…
মেহেদী হাসান,ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি :দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে পাঁচ (ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী) আদিবাসী গ্রামের শতাধিক সুবিধা বঞ্চিত শীতার্ত নারী-পুরুষ, শিশু-কিশোরদের মাঝে ব্যক্তি উদ্যোগে শীতবস্ত্র হিসেবে কম্বল ও শীতের কাপড় বিতরণ করেছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক আনন্দ কুমার গুপ্ত।
আজ রোববার উপজেলার শিবনগর ইউনিয়নের পুকুরপাড়া, ডাঙ্গাপাড়া, কামাড়ডাঙ্গা, তিলাইপাড়া ও পলিপাড়া সহ পাঁচটি গ্রামের বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষের মাঝে শীতবস্ত্র হিসেবে কম্বল এবং শিশু-কিশোরে মাঝে শীতের কাপড় বিতরণ করা হয়।
বেলা ১১টায় শীতার্তদের মাঝে আনুষ্ঠানিকভাবে শীতবস্ত্র তুলে দেন শহীদ স্মৃতি আদর্শ কলেজের অধ্যক্ষ মো. জিল্লুর রহমান।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ফুলবাড়ী প্রেসক্লাবের সভাপতি দৈনিক দেশ মা পত্রিকার সম্পাদক প্রভাষক অমর চাঁদ গুপ্ত অপু, শীতবস্ত্র বিতরণের পৃষ্ঠপোষক বিশিষ্ট সমাজ সেবক আনন্দ কুমার গুপ্ত, আমরা করব জয় সমাজ কল্যাণ সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি প্লাবন শুভ, সাংবাদিক মেহেদী হাসান উজ্জল, আমরা করব জয়ের স্বেচ্ছাসেবক জাকিরুল ইসলাম, আমিনুল ইসলাম প্রমুখ।
শীতবস্ত্র নিতে আসা সুকু মার্ডি, মুংলী সরেন, গোলাপী হাঁসদা ও নয়ন মুর্মু বলেন, আমাদের এই পাঁচটি গ্রামের আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষ সুবিধা বঞ্চিত। কারো কারো ঘরে তিন বেলার আহার ঠিকমত জুটে না। কেউ কেউ এক কাপড়েই তিন থেকে পাঁচ দিন কাটায়। বিষয়টি বিশিষ্ট সমাজসেবক আনন্দ গুপ্তের জানতে পেরে। তিনি গ্রামগুলো পরিদর্শন করেন এবং সকল শিশুদের জন্য শীতের পোষাক ও বড়দের জন্য কম্বল নিয়ে হাজির হন। তার এই উদারতার আমাদের অন্তরে গেঁথে থাকবে আজীবন।
বিশিষ্ট সমাজসেবক আনন্দ কুমার গুপ্ত বলেন, কিছুদিন আগে একটি সভার মাধ্যমে জানতে পারি যে আমাদের উপজেলায় এমন কিছু মানুষ আছেন যারা এক কাপড়েই কয়েক দিনে কাটিয়ে থাকে। ঘরে খারার জুটে না। সেই তথ্য পেয়ে ওই গ্রাম পরিদর্শন করে তাদেরকে শীতবস্ত্র বিতরণের সিদ্ধান্ত নেই। ইতিপুর্বেও বিভিন্ন সামাজিক কাজে অবদান রেখেছি। আগামীতেও মানুষের সেবায় মানুষের পাশে থাকবো।
শহীদ স্মৃতি আদর্শ কলেজের অধ্যক্ষ মো. জিল্লুর রহমান ও ফুলবাড়ী প্রেসক্লাবের সভাপতি দৈনিক দেশ মা সম্পাদক প্রভাষক অমর চাঁদ গুপ্ত অপু বলেন, আনন্দ কুমার গুপ্ত মানুষের দুর্দশার জীবনগল্প শুনলেই সেখানে ছুটে যান। তার এই উদ্যোগ প্রশংসনীয়।
স্বত্ব © নতুন সময় - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au