প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানালেন ছাত্রদল নেতা সেলিম রেজা
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানালেন ছাত্রদল নেতা সেলিম রেজা প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ সম্প্রতি একটি অনলাইন গণমাধ্যমে প্রকাশিত “সরকারি তিতুমীর কলেজের এক শিক্ষার্থীকে তুলে নিয়ে মারধর ও…
জিল্লুর রহমান জয় : নগরীতে টানা এক মাস চার দিনের লকডাউন শেষে বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়েছে লকডাউন বিরতি। ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎসব ইদুল আজহাকে সামনে রেখে লকডাউন বিরতি দেয়া হয়েছে।
ইদকে সামনে রেখে মার্কেটগুলোতে বেচাকেনা জমে উঠতে শুরু করেছে। তবে যানবাহন কিংবা মার্কেট কোন জায়গাতেই স্বাস্থ্যবিধি বিষয়ে তেমন গুরুত্ব নেই।
অধিকাংশ মানুষের কাছে মাস্ক থাকলেও তা সঠিক নিয়মে পরছেন না। অনেকের মুখ থেকে নাকে উঠছে না মাস্ক। আবার কারো থুতনির নিচেই থাকছে। অনেকে হাতে নিয়েই ঘুরছেন। আর এক্ষেত্রে প্রশাসনের কোন তৎপরতা কিংবা সচেতনতামূলক কার্যক্রম এদিন লক্ষ্য করা যায় নি।
শুক্রবার (১৬ জুলাই) নগরীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ও মার্কেটগুলো ঘুরে দেখা যায়, নগরীজুড়ে আবারও কর্মচঞ্চলতা শুরু হয়েছে। স্বাভাবিক হয়েছে গণপরিবহণ চলাচল। নগরীর জিরো পয়েন্ট এলাকায় ক্ষুদ্র যানজটও দেখা গেছে। খুলেছে শপিংমল ও দোকানপাট।
এতে স্বস্থি প্রকাশ করছে যাত্রী, চালকসহ ক্রেতা-বিক্রেতারাও। এছাড়া নগরীর উপশহর দোকানপাট গুলোতে ও উপচে পড়া ভিড় লক্ষ করা যায়। তবে স্বাস্থ্যবিধির বিষয়ে জানতে চাইলেই বিভিন্ন অজুহাত দেখাচ্ছেন তারা।
নগরীতে খুলেছে মার্কেট। ব্যস্ত সময় পার করছেন ব্যবসায়ীরা। তবে এর ভিন্ন চিত্র আছে। শপিংমল ও আরডিএ মার্কেটের ভিতরের দোকানগুলোতে অনেকে অলস সময় পার করতেও দেখা যায়।
এদিন নগরীর সাহেব বাজার, আরডিএ মার্কেট, কাপড়পট্টি, গণকপাড়া, নিউ মার্কেট, কোর্ট বাজার এলাকায় বেশি মানুষের সমাগম দেখা গেছে। শপিংমালের চেয়ে বাইরের ফুটপাতের দোকানগুলোতেই ক্রেতাদের উপস্থিতি বেশি।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, বৃহস্পতিবার থেকে লকডাউন খুলেছে। সকাল থেকেই তারা দোকান খুলেছেন। কিন্তু ক্রেতা বলতে হাতেগোনা কয়েকটা। এখনো সেইভাবে মার্কেট জমে উঠেনি। এরমধ্যে অনেকে শুধু দেখছেন।
অনেকে কেনা দামও বলছেন। তবে ক্রেতাদের প্রতিক্রিয়া ঠিক ভিন্ন। তারা বলছেন-করোনায় এমনিতেই মানুষের আয় করেছে। এরমধ্যে সন্তানদের বায়না মেটাতে বা দীর্ঘ দিন পোশাক কেনেনি একারণে বাজারে এসেছেন। কিন্তু বিক্রেতারা বেশি দাম চাচ্ছেন।
নগরীর উপশহর নিউমার্কেটে বাজার করতে এসেছিলেন নাবিলা ও চাঁদনী। তারা জানান, লকডাউনের কারণে অনেক দিন বাজারে আসেন নি। সামনে ইদ। তাই কিনাকাটার জন্য তারা নিউমার্কেটে এসেছে। আর ব্যবসায়ীরা একটু বেশি দাম চাচ্ছেন।
তারা আরও জানান, স্বাস্থ্যবিধি বলতে তিনি মাস্ক এনেছেন। তিনি বাজারে আসলে মাস্ক ব্যবহার করেন। এদিকে আরডিএ মার্কেটের গার্মেন্টস দোকানের মালিক লিখন জানান, এখনো বেচাকেনা তেমন জমে উঠেনি। ক্রেতা আসছে, দেখছে। অনেকে দাম না বলেই চলে যাচ্ছে।
অনেকে কেনা দামও বলছে না। তবে তিনি আশাবাদী সামনের দিনগুলোতে বেচাকেনা জমে উঠবে। আর স্বাস্থ্যবিধি বলতে মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা আছে।
এ বিষয়ে আরডিএ মার্কেট ব্যবসায়ী সমন্বয় পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সেকেন্দার আলী জানান, আজকে দ্বিতীয় দিন হিসেবে মার্কেটে কেনাবেচা ভালোই হচ্ছে। তবে এটা আরো বাড়বে।
তবে স্বাস্থ্যবিধি সেভাবে নিশ্চিত হচ্ছে না এটা ঠিক। এটা শুধু মার্কেটে না পুরো নগরীর চিত্রও এমন। তিনি আরো জানান, ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে তারা স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতে ব্যবসায়ীক নেতা ও প্রশাসনের সমন্বয়ে কমিটি করে সার্বক্ষণিক মনিটরিংয়ের পরামর্শ দেয়া হয়েছিলো।
যেটির তেমন কোন প্রতিফলন দেখেন নি। মার্কেটগুলোতে মাঝে মাঝে হঠাৎ করে প্রশাসনিক তৎপরতার চেয়ে সকলের সহযোগিতায় সমন্বিত সচেতনতামূলক কর্মসূচির জন্য স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
স্বত্ব © নতুন সময় - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au